মিঠাপুকুরে ষ্টোর রুমেই পঁচে গেল ত্রাণের খাদ্য

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার:

রংপুরের মিঠাপুকুরে ষ্টোর রুমেই পঁচে গেছে ত্রাণের আলু, পেয়াজ সহ বিভিন্ন সামগ্রী। এখন এসব পঁচা খাদ্য দ্রব্য মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা সভাকক্ষের অস্থায়ী গুদাম ঘরে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গ্রামপুলিশ সদস্যরা ত্রাণের প্যাকেট খুলে আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বের করছেন। আলু ও পেঁয়াজ সব পঁচে গেছে। গুদাম ঘরে দুর্গদ্ধে নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা।

মিঠাপুকুর (রংপুর): ষ্টোর রুমেই পঁচে গেল ত্রাণের খাদ্য আলু-পেঁয়াজ।

এসময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রাম পুলিশ বলেন, প্যাকেটে অনেকদিন ধরে আলুগুলো রাখায় পঁচে গেছে। আমরা সেগুলো বের করছি।’ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের একজন কর্মচারী জানালেন, এ নিয়ে আমার কোন কথা নেই। বড় বড় মাথারা এগুলো দেখাশোনা করেন।’

এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে ৬ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস। তারা অভিযোগ করেন, নদী ভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত এলাকার অনেক মানুষ খাবার কষ্টে ভুগছেন। অথচ উপজেলা প্রশাসনের ষ্টোর রুমেই পঁচে যাচ্ছে দুস্থ্য ও অসহায়দের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণের খাদ্য। সেগুলো বিতরণ না করায় ষ্টোর রুমেই পঁচে যাচ্ছে। পঁচা খাদ্য এখন মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। পঁচে যাওয়া আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন মালামাল উপজেলা পরিষদ চত্বরের একটি পুকুরে মাছের খাদ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইএনও) ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, এ তথ্য সঠিক নয়। গণহারে কোনো ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ আসেনি। তাই, পঁচে যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। তবে, করোনাকালে অভাবী মানুষের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে এগুলো পাওয়া যাবে। হয়তো সেই খাদ্যের প্যাকেটের খুব সামান্য পরিমাণ আলু পঁচে যেতে পারে।

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply