‘আরবি হরফের ছাপ’ ফুটে ওঠা সেই কবরেই দাফন করা হলো মৃত ব্যক্তিকে

শেয়ার করুন

নিউজ ডেস্ক:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার পশ্চিম পানিমাছকুটি গ্রামে ‘আরবি হরফের ছাপ’ ফুটে ওঠা সেই কবরেই দাফন করা হয়েছে মৃত ইসরাইল হোসেনকে।

বৃহস্পতিবার যোহরের নামাজের পর পশ্চিম পানিমাছকুটি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে ওই  গ্রামে সদ্য খনন করা কবরের দেয়ালে আরবি হরফের ন্যায় ছাপ দেখা ফুটে ওঠে। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই উৎসুক জনতার ঢল নামে। দাফন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রাখে উপজেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, ইসরাইল হোসেন রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক অফিসে কর্মরত ছিলেন। ৫ জানুয়ারি রাতে তিনি উচ্চ রক্তচাপ জনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই সময় তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশী ও সহকর্মীরা ছুটে এসে হাসপাতালে নিয়ে যান ইসরাইলকে। চিকিৎসকরা জানান- তিনি ব্রেনস্ট্রোক করেছেন।

মৃতের ভাতিজা হাফিজুর রহমান জানান, ইসরাইল হোসেনের ব্রেনে রক্ত জমাট বাধায় চিকিৎসকরা দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন। ৬ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর মগবাজারের রাসমণি হাসপাতালে অপারেশনের জন্য নেয়া হয়। রাত সোয়া ১০টার দিকে মৃত্যু হয় ইসরাইল হোসেনের। বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ ঢাকা থেকে গ্রামে নেয়া হয়। এরপর দাফনের জন্য কবর খুঁড়তেই কবরের গায়ে আরবি হরফ ভেসে ওঠে। যতই মাটি কাটা হয় ততই হরফগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

যোহরের নামাজের পর ওই কবরেই ইসরাইল হোসেনকে দাফন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ভাতিজা হাফিজুর রহমান।

স্থানীয় আর রহমানিয়া হেফজুল কুরাআন কওমি মাদরাসার হাফেজ ছাবেদ আলী জানান, কবরের গায়ে পশ্চিম পাশে উপরের লাইনে আরবি হরফে লেখা রয়েছে ইয়াছিন। অন্যান্য হরফগুলোর বাক্য বোঝা যায়নি।

নয়াটারী নুরানী হাফিজিয়া কওমি মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মোজাফ্ফর হোসেন জানান, কবরের পশ্চিম পাশের দেয়ালে উপরের লাইনে আরবি হরফে ইয়াছিন লেখাটি স্পষ্ট দেখা গেছে। হরফগুলো কেটে দিল আবারো ভেসে উঠছিল। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ

এম২৪নিউজ/আখতার