কিশোরীকে বিয়ে: ভাইকে পিটিয়ে বাবাকে হত্যা করল অপহরণকারী জামাই

শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:

অপহরণের পর কিশোরীকে বিয়ে করেছে ছেলে। কিন্তু সেই বিয়ে মেনে নেননি মেয়ের বাবা। এ কারণে তাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে অপহরণকারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন নিহতের স্ত্রী।

নিহয় সরফরাজ মণ্ডল গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের বিলভর্তি গ্রামের বাসিন্দা। রোববার পার্শ্ববর্তী কৃষ্ণপুর ছয়ঘড়িয়া গ্রামের পরিত্যক্ত একটি বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের স্ত্রী কাবাসী বেগমের অভিযোগ, সরফরাজ মণ্ডলের মেয়েকে প্রায় দুই বছর আগে ভয়ভীতি দেখিয়ে অপহরণ করে বিয়ে করে প্রতিবেশী দবির উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন। বিয়ের কিছুদিন পর ওই কিশোরী বাবার বাড়ি চলে আসে এবং এক পর্যায়ে সালিশের মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ হয়।

কিছুদিন ধরে আনোয়ার হোসেন বিভিন্নভাবে ওই কিশোরী ও তার বাবা-মাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছিল। সম্প্রতি তার ভাইকে বেধড়ক মারধর করে আনোয়ার। এর পরই সরফরাজ মণ্ডলকে হত্যা করা হয়ে বলে পরিবার ও গ্রামবাসী জানায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরফরাজ মণ্ডল গত শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী দাঁড়িদহ হাটে যান। রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পায়নি। রোববার সকালে পার্শ্ববর্তী কৃষ্ণপুর ছয়ঘরিয়া গ্রামের মিঠু মিয়ার পরিত্যক্ত একটি বাড়ির বারান্দায় তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।

গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নিহতের মুখে রক্তের দাগ ছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply