ইউনিয়ন পরিষদে জুয়ার আসর, ইউপি সদস্যসহ ৪ জুয়াড়ি আটক

শেয়ার করুন

নিউজ ডেস্ক:

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে জুয়ার আসর বসিয়েছিলেন ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ। তাসের ভাজে ভাজে জমে উঠেছে খেলা। ঠিক এই মুহূর্তে বিষয়টি জানতে পেরে ওই কক্ষে তাদেরসহ তালাবদ্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল হক। পরে ওই ইউপি সদস্যসহ ৪ জুয়াড়িকে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার তাদের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর থানায় জুয়া খেলার অপরাধে মামলা হয়েছে। 

আটককৃতরা হলেন, ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ (৫১) এবং ঝাকুয়াকালি এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে আব্দুর রশিদ (৪০) সিতাগ্রাম এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে আবু হোসেন (৪৫) এবং তফিজুল ইসলামের ছেলে জাহেদুল হক (৩৫)। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার তাস, ১৩ হাজার ৪৮০ টাকা, বিস্কুট ও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ইউনিয়ন পরিষদের দোতলার একটি ঘরে থাকতেন নৈশ প্রহরী শাহজাহান। বুধবার রাতে ইউনিয়ন পরিষদের একটি শালিস করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল হক। নৈশ প্রহরী শাহজাহানও সেখানেই ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে দোতলার ওই কক্ষ খোলা থাকায় সেখানে ঢুকে জুয়াড়িদের নিয়ে জুয়ার আসর বসায় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ। কিছুক্ষণ পর এক ব্যক্তি তাদের জুয়া খেলার দৃশ্য দেখে বিষয়টি চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। পরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাদের ভেতরে রেখেই গোপনে তালাবদ্ধ করে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। 

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহেদুল হক বলেন, ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার অভিযোগ অনেক পুরনো। তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ার সাহস বেড়ে গেছে। তিনি এখন ইউনিয়ন পরিষদেই জুয়ার আসর বসাচ্ছেন। তাই আমরা অন্য ইউপি সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে তাকেসহ জুয়ারিদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। 

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আবু আক্কাছ আহমদ বলেন, ওই ইউপি সদস্যসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তারা জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ

এম২৪নিউজ/আখতার