গঙ্গাচড়ায় ভাঙ্গনের মুখে ঈদগাহ মাঠ ও বিদ্যালয়

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার, গঙ্গাচড়া (রংপুর):

তিস্তার ভাঙ্গনে বিলীনের পথে পূর্ব ইচলি ঈদগাহ মাঠ ও মোনাজাত উদ্দিন আনন্দলোক । সেই সাথে তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে গঙ্গাচড়ায় শেখ হাসিনা মহিপুর -কাকিনা সংযোগ সড়কে আবারো ভাঙ্গন দেখা দেখা দিয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গনসহ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে সদ্য রোপনকৃত আমন ক্ষেত।

জানা যায়,গত দুদিন থেকে তিস্তার পানি আবারো বৃদ্ধি পায়। গত ঈদের সময় শংকরদহ এলাকায় একটি বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে বর্তমানে তিস্তার আরো দুটি চ্যানেল বের হয়েছে।একটি যাচ্ছে চর ইচলি হয়ে এসকেএস বাজার দিয়ে, অন্যটি যাচ্ছে গঙ্গাচড়ার শেষ প্রান্ত সেরাজুল মার্কেটের ব্রিজের নিচ দিয়ে। সেই সেরাজুল মাকেৃটের কাছে ইতিমধ্যে এলজিইডি নির্মিত মহিপুর -কাকিনা সংযোগ সড়কটির ১০ মিটার ব্লক ধসে গেছে। তাছাড়া এসকেএস বাজারের কাছপূর্ব ইচলি ঈদগাহ মাঠ, জয়রামওঝা ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পুর্ব ইচলি ,পশ্চিম ইচলি, বাগেরহাট শংকরদহ ,জয়রামওঝা এালাকায় প্রায় ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। লোকজন বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এসকেএস বাজারের পুর্বপাশে পুর্বইচলি এলাকার ঈদগাহ মাঠটির সামনের রাস্তার আর ৪/৫ ফুট ভাঙ্গলে ভাঙ্গন এসে ঠেকবে ঈদগাহ মাঠে। সেই সাথে বেসরকারি সংস্থা জাগরনী চক্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চর ইচলি এলাকার মোনাজাত উদ্দিন আনন্দলোক বিদ্যালয়টিও ভাঙ্গন হুমকির মুখে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, পুর্বইচলি ঈদগাহ মাঠটি ভাঙ্গনের মুখে । তাছাড়া মোনাজাত উদ্দিন আনন্দলোক বিদ্যালয়টিও ভাঙ্গন হুমকির মুখে।শেখ হাসিনা সংযোগ সড়কে ভাঙ্গনের কথাও স্বীকার করে তিনি বলেন, গত ২দিন ধনে হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধির কারণে আবারো বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সেইসাথে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ২ হাজার পরিবার।তিনি আরো বলেন গত মাসে এসকেএস বাজারের কাছে সড়কের ৫০ ফুট অংশ ধসে গিয়েছিল। সে যাত্রায় বালির বস্তা ডাম্পিং করায় ভাঙ্গন রোধ হয়েছিল।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী এজেডএম আহসান উল্লাহ বলেন, নির্বহিী প্রকৌশলী সরেজমিন ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।সেখানে কিছু বালির বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী গোলাম জাকারিয়া বলেন, যেহেতু রাস্তা ভাঙ্গন সেহেতু আমাদের ওখানে করণীয় কিছু নেই।এ কাজ এলজিইডি করবে।

এম২৪নিউজ/আখতার