গঙ্গাচড়ায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার, গঙ্গাচড়া (রংপুর):

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে নাকাল হয়ে পড়েছে রংপুরের গঙ্গাচড়ার মানুষজন। এতে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এবারই উপজেলার নতুন নতুন এলাকার মানুষজন পানিবন্দি হয়েছে।

গঙ্গাচড়া বাজার, থানা, সোনালী ব্যাংক, বিআরডিবি অফিস, প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটি চত্তরে থৈ থৈ পানি। এসব দপ্তরের কাজ কর্ম থমকে গেছে। প্রায় ৫ শতাধিক পুকুরের কয়েক লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে। ছোট ছোট নদী, নালা, খাল, বিলসহ রাস্তা ঘাট, বাড়ির আঙ্গিনা পানিতে ভরে যাওয়ায় উৎসুক মানুষজন উৎসবে মাছ শিকার করছে। তলিয়ে গেছে আমন ক্ষেত। পানি নেমে যাওয়ার কোন ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন রাস্তায় ছোট ছোট ব্রিজ ও কালভার্ট দিয়ে নেমে যাওয়ার স্রোতে অনেক স্থানে এসব কালভার্ট ব্রিজ ও রাস্তা ভেঙে গেছে। মনাকষায় নির্মাণ চলমান থাকা ব্রিজ ও পাকা রাস্তার প্রায় ৩০ ফুট ভেঙে গেছে।

এছাড়া পানি প্রবেশ করে গঙ্গাচড়া বাজারের মেসার্স তাজ সার ঘরের ৫ লক্ষ টাকা, মেসার্স আব্দুল মালেকের গোডাউনের ৯ লক্ষ টাকার রাসায়নিক সার, ভাই ভাই ধান আড়ৎ এর ৫ লক্ষ টাকার ধান ও ভুট্টা, রায়হান চাউল কলের ৩ লক্ষ টাকার ভুট্টা, ফেরদৌস আলমের ২ লক্ষ টাকার কনফেকশনারীর মালামাল ও মানিকের দোকানের ৫০ হাজার টাকার বিয়ের কার্ড ও ব্যাটারীর ক্ষতি হয়।

অপরদিকে প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটিতে পানি ঢুকে কম্পিউটার নষ্ট হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের পিছনে আব্দুল কাদেরের বাড়িতে পানির স্রোতে ২০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও কাপড় ভেসে যায়। মর্ণেয়া ইউনিয়ন পরিষদের বাউন্ডারী ওয়াল ভেঙে গেছে। গঙ্গাচড়া বাজারে আসা আলীম প্রামানিক, আব্দুল বারী স্বপন, রফিক, বেলাল, সুজন, রয়েল, শ্যামল বলেন, বাজারে দীর্ঘদিন আগে ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু করা হলেও ধীরগতির কাজের কারণে পানি নেমে যেতে না পেরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ বাজারের আশপাশ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে বেতগাড়ী ইউনিয়নের সাতআনী এলাকায় ব্রজপাতে জাহের আলী নামে এক ব্যক্তির মৃত্য হয়েছে।

এম২৪নিউজ/এসএ