অসামাজিক কাজে অতিষ্ট হয়ে মেয়েকে খুন করে মাটিতে পুঁতে রাখে বাবা

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার:

রংপুরের পীরগাছায় মাটিতে পুঁতে রাখা অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার হওয়া মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে লাশটি স্থানীয় লিপি বেগমের বলে সনাক্ত হয়। পরবর্তীতে লিপির বাবা বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি মামলা করে। মামলার সূত্র ধরে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সোমবার আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানাযায়, অসামাজিক কাজে অতিষ্ট হয়ে মেয়েকে খুন করে মাটিতে পুঁতে রাখে বাবা রফিকুল ইসলাম। এরআগে আলামত উদ্ধারসহ আসামী রফিকুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তার মেয়ের ডিভোর্স হওয়ার পর অস্বাভাবিক জীবন শুরু করে। সে নেশা ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পরে। এনিয়ে গ্রামে অনেক সালিশ ও বিচার হয়। সর্বশেষ গত কুরবানির ঈদে রফিকুল বাড়িতে আসলে জানতে পায় তার মেয়ে গর্ভবতী। এরপর দিশেহারা হয়ে গত ২২ জুলাই শুক্রবার রাত ১ টার দিকে লিপিকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলায় পা দিয়ে মারে। তারপর পাশের ধানক্ষেতে পুতে রাখে। কিন্তু ২ দিন পর রফিকুল ভয় পায় যে লাশ যদি কেউ দেখে ফেলে, তাই সেই লাশ টেনে নিয়ে আরও দূরে পুতে রাখে। মেয়ের অসামাজিক কাজে অতিষ্ট হয়ে এই কাজ করেছে বলে জানায় রফিকুল।

এএসপি আশরাফুল আলম পলাশ বলেন, মেয়ের অসামাজিক কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে খুন করে লাশ পুঁতে রাখেন বাবা রফিকুল। মেয়ের অসামাজিক কাজে অতিষ্ঠ হয়ে এই কাজ করেছেন বলে আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বাবা। বিচারক সবকিছু শুনে রফিকুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply