গাইবান্ধায় নদীর পানি বৃদ্ধি, সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দী

শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে গাইবান্ধা জেলার চারটি উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলগুলোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ফুলছড়ি উপজেলার বালাসি পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

এই নদের পানি মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তায় পানি কমেছে। তবে ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

গাইবান্ধা পাউবো সূত্র জানা যায়, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলগুলোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র বেষ্টিত ফুলছড়ি উপজেলার বালাসি, ফুলছড়ি, গজারিয়া, খাটিয়ামাড়ি, রতনপুর, কালাসোনারচর, ডাকাতিয়ারচর, সদর উপজেলার কুন্দেরপাড়া, খারজানি, মোল্লারচর, যমুনা নদীবেষ্টিত সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, চিনিরপটল, পালপাড়া, পবনতাইড়, থৈকরপাড়া, বাঁশহাটা, চকপাড়া, মুন্সিরহাট, গোবিন্দি, নলছিয়া এবং তিস্তা বেষ্টিত সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর, তারাপুর, কাপাসিয়া, বেলকা, হরিপুর ও শ্রীপুর এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এসব এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, সাধারণত নদীর পানি বাড়লেই এসব এলাকা প্লাবিত হয়। উজানের ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। আরও কয়েকদিন পানি বাড়তে পারে। তবে বড় বন্যা হবার সম্ভাবনা কম। ভাঙন রোধে প্রস্তুতি রয়েছে। সুত্র: ইত্তেফাক অনলাইন

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply