
অনলাইন ডেস্ক:
শিরোনাম দেখে উত্তেজিত হবেন না। এ বিষয়ে আমরা নাতিদীর্ঘ আলোচনা করব বলেই এ লেখার আয়োজন করা হয়েছে। তার আগে চলুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিছু অমৃত বচন শুনে নিই। এসব শুনলেই শিরোনামের ব্যাপারে আপনারা কিছুটা ইতিবাচক হতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস।
গত জুলাইয়ে ফক্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, নির্বাচনের ফল তিনি মেনে নেবেন কি না। উত্তরে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমি স্রেফ “হ্যাঁ” বলে দেব না। আমি “না”-ও বলছি না। আমাকে দেখতে হবে বিষয়টা।’
উইসকনসিনে আগস্ট মাসে এক র্যালিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘শুধু একটি উপায়েই এই নির্বাচন আমরা হারতে পারি; যদি নির্বাচনে কারচুপি হয় তবেই। এই একটি উপায়েই আমরা নির্বাচনে হারতে পারি। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। এই একটি উপায়েই তারা জিততে পারে এবং আমরা সেটি হতে দিতে পারি না।’
সেপ্টেম্বরে নেভাদায় এক প্রচারে অংশ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্টা করছে; কারণ এই একটি উপায়েই তারা জিততে পারে।’
সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে হোয়াইট হাউসের লনে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ব্যালট নিয়ে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। ব্যালটগুলো একটা বিশাল কেলেঙ্কারির ব্যাপার। নির্বাচনটা যেন স্বচ্ছ হয়, সেটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই এবং আমি নিশ্চিত নই যে এটা করা যাবে।’
এবার বলুন তো, এসব কথা কি চেনাচেনা লাগে? ‘পড়ে’ যেন মনে হয় চিনি উহারে? উত্তর ইতিবাচক হলে মনে মনে হাসুন প্লিজ! সশব্দে হাসলেও আমার কোনো সমস্যা নেই।
একটি অতীব ‘গুপন’ সূত্রে জানা গেছে, আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে রাজনীতি ও পাবলিক স্পিকিং বিষয়ে বাংলাদেশে কোচিং করেছিলেন ট্রাম্প। ওই কোচিং সেন্টারের একটি অবিশ্বস্ত সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি বলেছে, ট্রাম্প কোচিংয়ে শুরু থেকেই খুব আগ্রাসী ছিলেন। অনেক সময় কোচদেরও একহাত নিতেন।
আর যাঁরা এখনো উত্তর ইতি নাকি নেতি হবে বলে ভাবছেন এবং কিছুটা একমত হবেন বলে মনে করছেন, তাঁদের জন্য লেখাটা আরও বড় করতে হচ্ছে। গোপনে একটা কথা বলি, আসলে আমিও তো তা-ই চাই! নইলে তো চুইংগামের মান থাকে না।
ট্রাম্পের এ ধরনের কথা যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের কাছে আশ্চর্যের হতে পারে। মার্কিন মুলুকের মূলধারার গণমাধ্যমগুলোর হাবেভাবে তা-ই মনে হচ্ছে। কিন্তু এই বঙ্গদেশের লোক হওয়ায় আমাদের কাছে এ আর নতুন কি! বছর কয়েক আগে এমন কথা তো হরহামেশাই শোনা যেত। হারলেই খেলা বন্ধ, রেফারি ভালো না, মাঠে কাদা, বলে হাওয়া নেই—আরও কত-কী! ইদানীং অবশ্য এমন কথা আমরা বেশ কমই শুনি। মাঠে খেলা না থাকলে কড়চা হবে কীভাবে?
সে যা হোক, ওসব বাদ থাক। পরে আবার...বোঝেনই তো!
আসল কথায় আসা যাক। একটি অতীব ‘গুপন’ সূত্রে জানা গেছে, আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে রাজনীতি ও পাবলিক স্পিকিং বিষয়ে বাংলাদেশে কোচিং করেছিলেন ট্রাম্প। ওই কোচিং সেন্টারের একটি অবিশ্বস্ত সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি বলেছে, ট্রাম্প কোচিংয়ে শুরু থেকেই খুব আগ্রাসী ছিলেন। অনেক সময় কোচদেরও একহাত নিতেন। তবে কোচরা তাতে বিরক্ত হতেন কম। কারণ, তাঁদের কানে তুলো থাকত। এতে বেশ অবাকও হয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি একদা সেই অবিশ্বস্ত সূত্রকে বলেছিলেন, কাউকে অবলীলায় অবহেলা করার টেকনিক তিনি এভাবেই রপ্ত করেছিলেন। সূত্র: প্রথম আলো
এম২৪নিউজ/আখতার
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.