
অনলাইন ডেস্ক:
আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় আত্মোৎসর্গ করাকে বলা হয় কোরবানি। তাৎপর্যমণ্ডিত আমল এটি। একজন স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন, প্রাপ্তবয়স্ক, মুসলিম যদি ‘নিসাব’ পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকেন, তাদের পক্ষ থেকে একটি কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব বা আবশ্যক।
কোরবানি দেওয়া পশুর মাংস খাওয়া যেমন হালাল তেমনি অনেক অংশ খাওয়া হারাম। কোরবানির পশুসহ যে কোনো হালাল প্রাণীর রক্ত খাওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ। এ ছাড়াও রাসূলুল্লাহ (সা.) ৭টি জিনিস খাওয়া অপছন্দ করতেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসের একাধিক বর্ণনায় এসেছে-
> বিখ্যাত তাবেয়ি হজরত মুজাহিদ (রাহ.) বর্ণনা করেন রাসূলুল্লাহ (সা.) বকরির সাত জিনিস (খাওয়াকে) অপছন্দ করেছেন। (তাহলো)- প্রবাহিত রক্ত, পিত্ত, মূত্রথলি, মাংসগ্রন্থি, নর-মাদা পশুর গুপ্তাঙ্গ এবং অণ্ডকোষ।' (বায়হাকি)
> অন্য হাদিসে এসেছে, 'রক্ত ছাড়া হালাল পশুর অন্য কোনো অংশ হারাম নয়।' তবে রাসূলুল্লাহ (সা.) হালাল পশুর এ অংশগুলো অপছন্দ করতেন-
১. প্রবাহিত রক্ত
২. অণ্ডকোষ
৩. চামড়া ও গোশতের মাঝে সৃষ্ট জমাট মাংসগ্রন্থি
৪. মূত্রথলি
৫. পিত্ত
৬. নর ও মাদা পশুর গুপ্তাঙ্গ।
তবে ইসলামে সর্ব সম্মতিক্রমে পশুর রক্ত খাওয়া নিষিদ্ধ। সুতরাং কোরবানির পশু হোক কিংবা হালাল যে কোনো পশু হোক; সব হালাল প্রাণীর রক্ত খাওয়া হারাম বা নিষিদ্ধ। হাদিসের অনুসরণে প্রিয় নবী (সা.) এর অপছন্দনীয় পশুর নির্ধারিত অংশগুলো না খাওয়াই উত্তম। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com | @ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.