
অনলাইন ডেস্ক:
দিনের বেলায় পরিশ্রম করার কারণে অনেকেই রাত জেগে ইবাদত করতে পারেন না। তারা এমন কিছু আমল করতে পারেন- যেগুলো করলে সারারাত না জেগেও রাত জেগে আমল করার পূর্ণ সওয়াব পাওয়া যাবে।
এশা, তারাবি ও ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করা: নবীজি (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে রাতে এশা ও তারাবি নামাজ পড়ে এবং ইমাম নামাজ শেষ করে চলে যাওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেন। আল্লাহ তায়ালা ওই ব্যক্তিকেও সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করার সমান সাওয়াব দান করেন।’ (আবু দাউদ)
ইমামের সঙ্গে জামাতে এশা এবং তারাবি নামাজ শেষ পর্যন্ত থেকে আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা ওই ব্যক্তিকে সারারাত জেগে ইবাদত করার সওয়াব দান করবেন।
অন্য এক হাদিসে রয়েছে- প্রিয় নবী (সা.) বলেন, যে লোক এশার নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করল, সে ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালা সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত-বন্দেগি করার সাওয়াব দান করবেন। আর যে লোক এশা এবং ফজর উভয় নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করার সাওয়াব দান করবেন।’ (মুসলিম)
অর্থাৎ এমন একটি সহজ আমল রয়েছে, যার মাধ্যমে মুমিন বান্দা সারারাত ঘুমিয়েও পূর্ণরাত ইবাদত বন্দেগি করার সওয়াব লাভ করবে। আর তা হলো এশা এবং ফজর নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা।
রাত জেগে ইবাদত করার নিয়ত করে ঘুমাতে যাওয়া: যে ব্যক্তি এ নিয়তে বিছানায় ঘুমোতে যায় যে, সে রাতে জেগে উঠে ইবাদত-বন্দেগি করবেন। কিন্তু বিছানায় ঘুমানোর পর, তার ঘুম এত ভারি ও প্রবল ছিল যে সে আর জেগে ইবাদত করতে পারেনি। ঘুমেই তার রাত অতিবাহিত হয়ে গেছে। সে ব্যক্তিও রাতে জেগে ওঠে ইবাদত-বন্দেগির নিয়তের কারণে সারারাত জেগে ইবাদত করার সাওয়াব পাবেন। আর এ ব্যক্তির জন্য রাতের ঘুমটি হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে সদকাহ বা উপহার।
১০০ আয়াত তেলাওয়াত করা: নবীজি (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি রাতে ১০০টি আয়াত তেলাওয়াত করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে সারারাত ইবাদতের সমান সওয়াব দান করবেন। (সহিহুল জামে)।
কোরআনুল কারিমের যে কোনো সুরা বা স্থান থেকে ১০০টি আয়াত তেলাওয়াত করলেই সাররাত জেগে আমল করার সওয়াব পাওয়া যাবে।
মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে সবসময় ইবাদত বন্দেগি করার তাওফিক দান করুন। আমিন। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.