
অনলাইন ডেস্ক:
এবার ভারতের রাজধানী দিল্লির দিকে ধেয়ে আসছে পঙ্গপালের দল । আর এ কারণে বৃহস্পতিবার রাজ্যে সতর্কতা জারি করেছে দিল্লি সরকার।
পঙ্গপাল প্রতিরোধে শষ্য, সবজি, বাগান ও ফুল গাছে কীটনাশক ছড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি রাজ্য সরকার। সম্প্রতি ভারতে মরু পঙ্গপালের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। প্রথম রাজস্থানে হানা দেয় এই পঙ্গপাল, এখন তারা ছড়িয়েছে পাঞ্জাব, গুজরাট মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশে।
দিল্লি কৃষি দফতরের কর্মকর্তা এপি সাইনি একটি নির্দেশিকায় বলেন, যেহেতু দিনে উড়ে বেড়ায়, এবং রাতে বিশ্রাম নেয়, তাদের রাতে বিশ্রাম নিতে দেওয়া যাবে না। মরু পঙ্গপালের হানা থেকে চারা কে রক্ষা করতে নার্সারিগুলি পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়ার কথা ভাবনাচিন্তা করছে দিল্লির বন দফতদর।
দিল্লির বন দফতরের কর্মী ঈশ্বর সিং বলেন, গাছগুলিকে ঢেকে দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা অন্তত নার্সারিতে চারাগুলিকে ঢেকে দিতে পারি।
ভারতের মহারাষ্ট্রে, বিদর্ভ অঞ্চলে পঙ্গপালের হানায় অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে। কমলালেুব এবং সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়েছে ভারতের নাগপুর ও ওয়ার্ধায়। পঙ্গপাল প্রতিরোধে ওই স্থানগুলোতে ট্রাক চালিত স্প্রেয়ার ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে কীটনাশক ছড়ানো হয়েছে জমিতে।
২৭ বছরে সবচেয়ে বড় পঙ্গপাল হানার সম্মুখীন ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্য এবং বর্ষা পর্যন্ত তা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতে চার প্রজাতির পঙ্গপাল দেখা যায়, মরু পঙ্গপাল, পরিযায়ী পঙ্গপাল, বম্বে পঙ্গপাল এবং গেছো পঙ্গপাল। তারমধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকারক মরু পঙ্গপাল।ফড়িং এর মতো দেখতে এই পতঙ্গটি তাদের দেহে ওজনের থেকে বেশি খাবার খেতে পারে। এক বর্গকিলোমিটার পঙ্গপালের ঝাঁকে ৪০ মিলিয়ন পঙ্গপাল থাকে, তারা একদিনে ৩৫,০০০ মানুষের খাবার খায়।
এইভাবে পঙ্গপালের পিছনে জয়বায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, মাটির আদ্রর্তার ওপর সরাসরি নির্ভরশীল তাদের বৃদ্ধি এবং খাদ্যের জোগান।
সূত্র: ইত্তেফাক অনলাইন।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.