
নিউজ ডেস্ক:
মিঠাপুকুরে খাদ্যের দাবিতে রোববার অর্ধশতাধিক ভিক্ষুক ও হতদরিদ্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা অবস্থান করেন। অবশেষে সাহায্য না পেয়ে ফিরে গেলেন তারা।
এদেরই একজন বৃদ্ধা ছকিনা বেগম (৫৫)। ভিক্ষাবৃত্তি তার পেশা। বৃদ্ধ স্বামী আবুল হোসেনসহ পরিবারের সদস্য আটজন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বন্ধ ভিক্ষাবৃত্তি। ঘরে চাল নেই, খাবার জুটছে না। আলু সিদ্ধ খেয়ে বেঁচে রয়েছেন তারা।
আনজেরা খাতুন বলেন, ‘হামরা মানুষের কাছে চায়া নিয়্যা খাই। ম্যালাদিন থাকি সেটাও বন্ধ। ঘরত চাউল নাই, আলু সিদ্ধ খায়া বাঁচি আছি। চেয়ারম্যানের কাছে গেছনো হামাক গালি দিয়্যা খ্যাদে দিছে।’
বড় হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রুস্তম আলী বলেন, বরাদ্দের চাল ৩৬০ পরিবারকে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এক হাজার ৬শ’ জন পাবে। যারা ইউএনও’র কার্যালয়ে গিয়েছিল, তাদেরও নাম তালিকায় রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন ভূঁইয়া বলেন, যারা এসেছিল তারা সবাই ভিক্ষুক নয়। তবে এরা হতদরিদ্র। সরকারিভাবে পর্যায়ক্রমে প্রাপ্ত বরাদ্দগুলো দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে চাল গ্রাম পর্যায়ে দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
সূত্র: যুগান্তর।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.