প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত দুই মাসে উত্তরের প্রায় আটটি জেলায় কয়েকগুণ বেড়েছে এই দুরারোগ্য এ ব্যাধী। কোনো প্রতিষেধক না থাকায়, আতঙ্কে দিন কাটছে এই অঞ্চলের মানুষের।
জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর বলছে, সংক্রমণ রোধে গোয়াল ঘরের মশা মাছি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দেয়া হচ্ছে সচেতন থাকার পরামর্শ।
তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের মাঝামাঝি চট্টগ্রামে প্রথম গরুর শরীরে লাম্পি রোগ ধরা পড়ে। রংপুরে রোগটি দেখা দেয় স্কিনসেম্বরে।
এম২৪নিউজ/আখতার।
