
স্টাফ রিপোর্টার, মিঠাপুকুর (রংপুর):
রংপুরের মিঠাপুকুরে কৃষকের গরু চুরি হয়ে যায়। এলাকাবাসি একটি বাড়িতে চোরাই গরুটি উদ্ধার করে। চোরও সনাক্ত হয়েছে। কিন্তু, গরু চোরের কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না হওয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসি গরু চোরের সাথে স্থানীয় একজন ইউপি সদস্যের আঁতাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।
সরেজমিনে এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের মুরাদদর্প নরায়নপুর গ্রামের কৃষক মোলাম মিয়ার একটি গরু গত ২৬ এপ্রিল রাতে চুরি হয়। ঘুম থেকে জেগে উঠে গোয়াল ঘরে গরু নেই দেখে তিনি চিৎকার শুরু করেন। চিৎকার শুনে গ্রামের লোকজন চোরকে ধাওয়া করে। ওই রাতে পার্শ্ববর্তী গোসালপুর গ্রামের মমিনুরের বাড়ির উঠানে চোরাই গরুটি বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হয়। পাশের বাড়ির মাসুদ রানা নামে এক যুবক গরুটি চুরি করে এনেছিল বলে গ্রামবাসি জানান। এরপর ওই গ্রামের এক বাড়িতে গরুটি হেফাজতে রাখা হয়। এসময় মাসুদ ও মমিন পালিয়ে যায়।
এলাবাসি জানান, কাফ্রিখাল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মকবুল হোসেন চোরের সাথে মধ্যস্থ্যতা করে চোরাই গরু ফেরত আনেন। কিন্তু, চোর সনাক্ত হওয়ার পরও তাকে থানায় সোপর্দ করছেন না। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোসালপুর গ্রামে গিয়ে কথা হয় যে বাড়িতে গরুটি পাওয়া যায়-সেই বাড়ির মালিক মমিনুরের মায়ের সাথে। তিনি বলেন, রাতে গরুর পায়ের শব্দ শুনে ঘরের বাইরে বের হই। দেখি- একটি মোটাতাজা গরু নিয়ে এসে আমাদের উঠানে খুঁটির সাথে বেঁধে রাখতেছে মাসুদ রানা। আমি এর প্রতিবাদ করলে আমাকে নানা ভয়ভীতি ও হুমকী দেয়।’
অভিযুক্ত মাসুদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে গরু চুরির বিষয়ে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।’ এ ব্যাপারে কথা বললে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মকবুল হোসেন বলেন, ‘এলাকাবাসি গরু উদ্ধার করতে বলেছে। আমি উদ্ধার করে দিয়েছি। সব কিছু সমাধান হয়ে গেছে। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করার দরকার নেই।’
মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাফর আলী বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে, কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি।
এম২৪নিউজ/আখতার।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com | @ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.