
নিউজ ডেস্ক:
বন্যার ধকল কাটিয়ে উঠলেও তিস্তা নদীর ভাঙনে জমিজমা, ভিটেমাটি হারিয়ে পথে বসেছেন রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার লক্ষিটারী ইউপির ধামুর এলাকার শতাধিক পরিবার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, গংগাচড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় তিস্তায় নতুন একটি চ্যানেল তৈরি হয়েছে। বর্ষার সময় এই চ্যানেল দিয়ে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়।
আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
লক্ষিটারী ইউপির ধামুর এলাকার বাসিন্দা আখতারুল ও এজাজুল জানান, দুই ভাইয়ের প্রায় ২০ বিঘা জমি ছিল। এই জমির ফসল দিয়ে ভালো ভাবেই চলছিল তাদের সংসার। গত বছর ঈদে দুই ভাই মিলে গরুও কোরবানি দিয়েছিলেন। এবার তিস্তার ভাঙনে তাদের জমি, বাড়িঘর নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। জমি, ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধে। এক কেজি গরুর মাংস কিনে খাবেন সেই টাকাও তাদের কাছে নেই।
আখতারুল ও এজাজুল জানান, এবার তাদের কোরবানির ঈদ কীভাবে কাটবে, ছেলে মেয়েদের নিয়ে কী খাবে তা আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারে না।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদি হাসান জানান, গংগাচড়া উপজেলার লক্ষিটারী ইউপির যে অংশ দিয়ে তিস্তা নদীর নতুন চ্যানেল সৃষ্টি হয়েছে তা ২৫ বছর আগে ছিল। নদীর গতি পরিবর্তন হওয়ার কারণে ওই এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য নদী এক্সপার্টদের সহযোগিতা নিয়ে টেকসই একটি বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.