নিউজ ডেস্ক:
পীরগঞ্জের ভেন্ডাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে শামছুল হক (৫৮) নামের এক আসামির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টায় তার মৃত্যু হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ভেন্ডাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে।
[caption id="attachment_2619" align="aligncenter" width="518"]
ভেন্ডাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে শামছুল হক[/caption]
এক পর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় বিক্ষিপ্ত জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ পাল্টা ২৩ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। আধাঘণ্টা ধরে পুলিশ ও উত্তেজিত জনতার মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
[caption id="attachment_2552" align="aligncenter" width="1029"]
পীরগঞ্জের ভেন্ডাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত[/caption]
আরও পড়ুন: মিঠাপুকুরে বৃদ্ধকে দিনভর আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে
এ ঘটনায় রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজ উদ্দিন ও ভেন্ডাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামসহ স্থানীয় জনতা, ব্যবসায়ী ও পথচারীসহ অর্ধ শতাধিক জনতা গুরুতর আহত হয়েছে।
[caption id="attachment_2544" align="aligncenter" width="419"]
সংঘর্ষে গুলি বিদ্ধ এক যুবক[/caption]
জানা যায়, শামছুল হককে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯ টায় পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগা বাজার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে ভেন্ডাবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আটকে রাখা হয়। বুধবার সকাল ৯টায় হাজতে গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
[caption id="attachment_2545" align="aligncenter" width="1103"]
পীরগঞ্জে পুলিশ-গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২৫[/caption]
এদিকে নিহতের পরিবার জানায়, ভেন্ডাবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শামছুল হককে গ্রেফতারের পরে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তার এই দাবির টাকা পূরণ করতে না পারায় তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।
[caption id="attachment_2620" align="aligncenter" width="931"]
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সংঘর্ষে আহত হয় বেশ কয়েকজন।[/caption]
রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, 'আমি রওনা দিয়েছি। তবে শুনেছি যে, আমাদের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার হাফিজসহ বেশ কয়েক জন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।'
রাত ৯টার আপডেট।
সূত্র: ইত্তেফাক অনলাইন।