
সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পী, (রংপুর):
রংপুর বিভাগের আট জেলায় তিন বছরে পাঁচ হাজার ৯৬০ কোটি টাকার মাছ বেশি উৎপাদন করা হয়েছে। অতি দ্রুত এ বিভাগের মাছ অন্যান্য বিভাগের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করবে।
মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, রংপুর, লালমনিহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়ের ৪৪টি অভয়াশ্রমে প্রতি শতাংশে ১৯ কেজি করে মাছ বাড়ছে। এতে মাছের ঘাটতি অনেকটাই কমে এসেছে।
প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, এ বিভাগে মাছের ঘাটতি ছিল ৪২ হাজার মেট্রিক টন। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন। আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ বাস্তবায়নে এক হাজার মৎস্য চাষী ও ১৪০ জন স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধিকে প্রশিক্ষণ প্রদান দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, অভয়াশ্রমগুলোতে ভেদা, পুঁইয়া, খলিশা, তারা বাইন, বাছা, খাইকলা, চ্যাং মাছ, ক্ষুদে পাবদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রয়েছে।
বিভাগীয় মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক আতাউর রহমান জানান, রংপুর সদরের বিড়া বাড়ি ঘাঘট নদী, মিঠাপুকুরের কাফ্রি ডাঙ্গা, পীরগঞ্জের বড়বিলা বিল, গঙ্গাচড়ার চারালিয়া বিল, বদরগঞ্জের মাধাই খামারমরা নদী, কুড়িগ্রামের দাসের হাট ছড়া, রাজারহাট ঘরিয়াল ডাঙ্গা বিল, নাগেশ্বরীর পায়রাবন্দ বিল, রৌমারীর জিনজিরা নদী কোল, আমবাড়ি বিল, লালমনিরহাট সদরের রতনাই নদী, দালাইলাম ছাড়া, পাটগ্রামর ধরলা নদী, গাইবান্ধা সদরের মরা ঘাঘট, পলাশবাড়ি রাঙ্গামাটি বিল, করতোয়া নদী, সাঘাটা ঘড়দিহ বিল, সাঘাটা মরা নদীর কোল, সাদুল্লাপুর পাকুরিয়া বিল, সুন্দরগঞ্জের তিস্তা নদীর কোল, দিনাজপুর সদরের গর্ভেশ্বরী মরা নদী, বীরগঞ্জের ডেপা নদী, পঞ্চগড়ের কাজিপাড়্ চাওয়াই নদীর অভয়াশ্রমের মাছ মানুষের চাহিদা পূরণ করছে।
তিনি আরো জানান, অভয়াশ্রমগুলো বিপন্ন মাছ সংরক্ষণ ও মাছের ঘাটতি পূরণে কাজ করছে। প্রকল্পের মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়ানো হলে এ বিভাগে মাছ উদ্বৃত্ত থাকবে। যা অন্য জেলাতেও মাছের ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.