
করোনা পরীক্ষা করতে যাওয়া প্রায় প্রত্যেকেই অভিযোগ করছেন চরম ভোগান্তির। অনেক ভোগান্তির পর নমুনা দিতে পারলেও ফল পেতে পড়তে হচ্ছে আরেক বিড়ম্বনায়। ন্যূনতম ৭ দিন থেকে ১৩দিনও অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার নমুনা দেয়ার পর সন্দেহভাজনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক হলেও তা নিশ্চিত করার কোন প্রচেষ্টা নেই। ফলে নমুনা জমা দেয়া ব্যক্তিদের স্বাভাবিক চলাফেরার মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি কেবল বাড়ছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন বলেন, টেস্ট করতে সময় লাগছে। এরপর করোনা পজিটিভ না নেগেটিভ সেটা বুঝতেও সময় লাগছে।
গত ৪ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত মোট সাড়ে ১২ হাজার নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ২৪ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। সাড়ে ৯ হাজার নমুনা এখনও জমা পড়ে আছে ল্যাবরেটরিতে। এসব নমুনা ঢাকায় নিয়ে পরীক্ষার আবেদন করে এখনও সুরাহা হয়নি বলে জানান কলেজের অধ্যক্ষ নূরন্নবী লাইজু।
তিনি জানান, এক কোটি মানুষের মাঝে শুধু ১৮৮টি পরীক্ষা খুবই অপ্রতুল। প্রতিদিন প্রায় ৩০০ করে আসে এবং অতিরিক্তগুলো আমাদের কাছে আছে।
রংপুরের সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার রায় বলেন, জেলায় করোনাভাইরাসে ১৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ৯ জনের করোনা নিশ্চিত হয়েছেন মৃত্যুর পর সংগৃহীত নমুনা থেকে। রংপুরে আরও একটি পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হলে আমরা এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো।
এম২৪নিউজ/আখতার।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.