
নিউজ ডেস্ক:
ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা এক স্কুল ছাত্রীকে হত্যার সাত বছর পর ধর্ষক ও হত্যাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে সিআইডি।বুধবার দুপুরে রংপুর সিআইডি কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস।
পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস জানান, ২০১৪ সালের ৭ মার্চ রংপুরের পীরগঞ্জের জয়পুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নবম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা খাতুনের লাশ উদ্ধার হয়। পরে ময়নাতদন্তে জানা যায় ফাতেমা অন্তঃসত্ত্বা ছিলো এবং তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ফাতেমার পরিবার পীরগঞ্জ থানায় প্রথমে ইউডি এবং পরে অজ্ঞাত আসামী করে হত্যা মামলা করে।
থানা পুলিশ এ ঘটনার কোনো সমাধান করতে না পারলে মামলার তদন্তভার নেয় সিআইডি।
অবশেষে সাত জন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তনের পর মামলার অষ্টম তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এসআই আহসান ভিকটিমের চৌদ্দজন আত্মীয় স্বজনের ডিএনএ পরীক্ষা করে ফাতেমার ভ্রূণের সাথে তার চাচাতো ভাই হাসানুর রহমান শিপনের ডিএনএ মিলে যায়।
গ্রেফতারের পর শিপন ফাতেমা ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়টি সিআইডির কাছে স্বীকার করে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান সিআইডির পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.