
নিউজ ডেস্ক:
রংপুর নগরীর ঐতিহ্যবাহী শ্যামাসুন্দরী খাল দখল ও দূষণ মুক্তকরণে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে এ অভিযান শুরু করা হবে। এ ঘোষণা দিয়েছেন রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।
তিনি বলেছেন, শ্যামাসুন্দরী খালের চিহ্নিত অবৈধ দখল পুনরুদ্ধারে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। জরিপে খালের দুই ধারে ১৭০ জন অবৈধ দখলদারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের নোটিশ দিয়ে অবগত করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হবে।
সোমবার দুপুরে নগরীর ডিসির মোড়ে আর্কেডিয়া স্কুল চত্বরে অনুষ্ঠিত দখল মুক্তকরণে উচ্ছেদ পূর্ব মতবিনিময় ও অবহিতকরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মেয়র বলেন, রংপুর নগরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও আগামী প্রজন্মকে সুন্দর নগরী উপহার দিতে হলে আগে শ্যামাসুন্দরী খালকে বাঁচাতে হবে। এই খাল সচল হলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় গতি আসবে। বন্যায় নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না।
সভায় জানানো হয়, রংপুর সেনানিবাসের ঘাঘট নদীর শ্যামাসুন্দরী খালের উৎস মুখ থেকে মাহিগঞ্জ পাটবাড়ি পর্যন্ত খালের দুই পাশের ১০ কিলোমিটার সংস্কার কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় হাল জরিপ শেষ করা হয়েছে। এ সময় মৌজাভিত্তিক কেল্লাবন্দ, রাধাবল্লভ, আলমনগর, রঘুনাথগঞ্জ ও ভগি এলাকার ১৭০ জনকে অবৈধ দখলদার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সভায় বক্তব্য রাখেন, রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি টিএম মুজাহিদুল ইসলাম, আরপিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান, ডিসি আসিব আহসান, এডিসি শরীফ মোহাম্মদ ফয়েজুল আলম, রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, রংপুর সেনানিবাসের সিইও আলেয়া ফেরদৌস জাহান, রসিকের নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মিঞা, কারমাইকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. রেজাউল ইসলাম, নদী গবেষক ড. তুহিন ওয়াদুদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাস থেকে শ্যামাসুন্দরী খাল দখল ও দূষণ মুক্তকরণে ডেইলি বাংলাদেশ-এ একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com | @ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.