
অনলাইন ডেস্ক:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) লেখাপড়া করছেন তানিয়া (ছদ্মনাম)। এ সুবাদে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফেরদৌস মোহাম্মদ শ্রাবণের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের সম্পর্ক হয়। আর সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে তানিয়াকে ধর্ষণ করে শ্রাবণ। পরে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এতে গত আট মাসে দুবার গর্ভবতী হন তানিয়া।
এসব অভিযোগ এনে শ্রাবণের বিরুদ্ধে রাজশাহী নগরীর মতিহার থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী তানিয়া। ১৪ নভেম্বর রাতে এ মামলা রেকর্ড করা হয় বলে জানিয়েছেন মতিহার থানার ওসি এএসএম সিদ্দিকুর রহমান। সোমবার দুপুরে তিনি এ তথ্য জানান। অভিযুক্ত ফেরদৌস মোহাম্মদ শ্রাবণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী ছাত্রী জানান, ২০১৯ সালের আগস্টে শ্রাবণের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ওই মাসের এক সন্ধ্যায় তাকে ধর্ষণ করে শ্রাবণ। বিষয়টি প্রশাসনকে জানাতে চাইলে শ্রাবণ তাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে।
বর্তমানে তিনি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) রয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এরপরও শ্রাবণ দুবার আমাকে ধর্ষণ করে। এর মধ্যে চলতি বছরের মার্চে আমি গর্ভবতী হই। তখন গর্ভপাত করাতে আমাকে বাধ্য করে শ্রাবণ। সবশেষ অক্টোবরে আমি ফের গর্ভবতী হই। এরপর থেকে শ্রাবণ আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাচ্ছে না, বিয়েও করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।
অভিযোগের অধিকাংশই মিথ্যা বলে দাবি করছেন শ্রাবণ। তিনি বলেন, তার সঙ্গে আমার আগে সম্পর্ক ছিল। তার একাধিক ছেলের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে বলে ইদানীং জানতে পেরেছি। সেজন্যই আমাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। সম্পর্ক নষ্ট হওয়ায় সে আমার সঙ্গে এমনটা করছে। তার অভিযোগের অনেক কিছুই মিথ্যা। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: শামীম আখতার | বার্তা বিভাগ- মেইল- m24newsdesk@gmail.com
Copyright © 2026 M24News । Rangpur. All rights reserved.