
অনলাইন ডেস্ক:
দীর্ঘদিন পর বুধবার (১৭ মার্চ) সকালে কিছু সময়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য (ভিসি) নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। এরপর ঘণ্টাখানেক বাংলোতে অবস্থান করে আবারও পেছনের দরজা দিয়ে তিনি চলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এদিনও গণমাধ্যমকে এড়িয়ে গেছেন তিনি।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য যোগদানের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত থাকার পাশাপাশি জাতীয় দিবসগুলোতেও আসেন না ক্যাম্পাসে। তাই উপাচার্যের বিরুদ্ধে দেড় শতাধিকেরও বেশি অভিযোগের তদন্ত হওয়ায় উচ্চ মহলের চাপে পড়ে বুধবার ক্যাম্পাসে আসতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী কর্মকর্তা সহকারী রেজিস্ট্রার আব্দুর রহিম জানান, সকাল ৯টা ২ মিনিটে উপাচার্য ক্যাম্পাসে আসেন। তবে ব্যক্তিগত গাড়িতে না এসে প্রক্টরিয়াল বডির একটি কালো মাইক্রোবাসে করে যখন আসেন, তখন ক্যাম্পাস পুরোপুরি ফাঁকা। হাতেগোনা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে তাড়াহুড়ো করে প্রশাসনের ভবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের সামনে আসেন। এ সময় ট্রেজারার হাসিবুর রশীদ, উপ-উপাচার্য সরিফা সালোয়া ডিনা, রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তফা কামাল ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নাজমুল হককে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেন। এরপরই ওই কালো মাইক্রোবাসে করে প্রধান ফটক দিয়ে বের হয়ে যান। এরপর বাংলোর পেছনের দরজা দিয়ে বাংলোতে প্রবেশ করেন। সেখানে এক ঘণ্টার মতো থেকে পেছনের দরজা দিয়ে তিনি চলে যান।
এদিকে উপাচার্যের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
পরে বাংলোতে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দেন। এ সময় উপাচার্যের একান্ত সচিব আমিনুর রহমানকে ফোন করে উপাচার্যের সাথে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হলে তিনি উপাচার্যের সাথে কথা বলে জানাবেন বলে জানান। পরে তাকেও একাধিকবার ফোন করে পাওয়া যায়নি। সূত্র: খোলা কাগজ
এম২৪নিউজ/আখতার