
অনলাইন ডেস্ক:
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ধূমপান নিয়ন্ত্রণে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ধূমপানমুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, এখন প্রকাশ্যে ধূমপান করলে জরিমানা করা হয়। ধূমপান করলে মানুষ মাদকাসক্ত হয়। মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু নিজেকে ধ্বংস করে না, তার পরিবারকেও ধ্বংস করে। পিতা-মাতার অজান্তে ছেলেরা ধূমপায়ী হয়ে যায়। এজন্য খেয়াল রাখা জরুরি।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার আইডি কার্ড প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটার আইডি কার্ড এক বিষয় নয়। জাতীয় পরিচয়পত্র জন্মগ্রহণ করার পর থেকে আমৃত্যু পর্যন্ত দেয়া হয়। দেশের সব নাগরিককে এ জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া হয়। পৃথিবীর সব দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে অথবা অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকে। এটা নির্বাচন কমিশনে থাকে না। নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা নিয়ে কাজ করে। যখন এটি একটি প্রকল্প ছিল ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য, তখন এটি নির্বাচন কমিশনের অধীনে ছিল এবং এটা যৌক্তিক ছিল। যখন এটা জাতীয় পরিচয়পত্র, তখন এটি সরকারের কাছে বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা যথাযোগ্য যৌক্তিক। পৃথিবীর সব দেশেও তাই।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা করতে সরকার দিচ্ছে না- বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়া যেন সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান, এজন্য সরকার সব পদক্ষেপ নিয়েছে। খালেদা জিয়ার পছন্দ মতোই হাসপাতাল ও চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা করা হচ্ছে। এ কারণে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া। তাই তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করার বিষয়টি অযৌক্তিক। এম২৪নিউজ/আখতার
এম২৪নিউজ/আখতার