
স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মমিনপুর গ্রামের আদিবাসী নারী কৃষানী শুভ রানী। তিনি অন্যের ৭ কাটা জমি লিজ নিয়ে কাকরোল ও অন্যান্য সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
জানা গেছে, শুভ রানী আগে কোন কিছুই চাষাবাদ করতো না এবং শুধুমাত্রা অন্যের জমিতে দিন মজুর হিসেবে ২‘শ ৫০ থেকে ৩ ‘শত টাকা করে কাজ করতেন। ঝড়-বৃষ্টি-বাদল মাথায় নিয়ে অভাব অনাটন ও দিনমজুরির টাকা দিয়ে সংসারের যাবতীয় সমস্যা সমাধান করতো। তার বাড়ীর জায়গা বাদে তেমন কোন আবাদি জমি নেই।
সম্প্রতি অন্যের ৭ কাটা জমি লিজ নিয়ে চাষাবাদ করছেন। সেই জমিতে শুধু প্রতিবারেই ধান চাষ করতো। আরডিআরএস বাংলাদেশ সীডস্ প্রকল্প -২০১৯ সালে ঐ ইউনিয়ন এলাকায় কার্যক্রম শুরু করেন। সীডস্ প্রকল্পের আওতায় সদস্য হন শুভ রানী।
প্রকল্পের কমিউনিটি সার্ভিস প্রোভাইটার (সিএসপি) কৃষি পরার্মশ ক্রমে শুভ রানীকে চাষ-আবাদ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এখন ঐ ৭ কাঠা জমিতে সে কাকরোল ও অন্যান্য সবজি চাষ-আবাদ করেছেন। কাকরোল সবজি চাষ-আবাদ করে সে নিজের পরিবারের সবজির চাহিদার পাশা-পাশি বাজারে বিক্রি করে ৩০-৩৫ হাজার টাকা আয় করছেন। যা তিনি কখনোই কল্পনা করেননি।
শুভ রানী বলেন, আমি আগে কাকরোল ও অন্যান্য সবজি চাষ-আবাদ সম্পর্কে কিছুই জানা ছিল না। এখন আরডিআরএস বাংলাদেশ সীডস্ প্রকল্পের মাধ্যমে সবজি চাষ প্রশিক্ষণ গ্রহন করি এবং এখন আমার পরিবার স্বাবলম্বী ও দলের অন্য সদস্যরাও আরডিআরএস বাংলাদেশ সীডস্ প্রকল্পের মাধ্যমে সবজি চাষ ও অন্যান্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে।
এম২৪নিউজ/আখতার