
রংপুর অফিস:
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ভেজাল জুস ও লাচ্ছিসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার সন্ধ্যায় গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এরশাদ উদ্দিনের নেতৃত্বে বড়বিল ইউনিয়নের পাকুরিয়া শরিফ এলাকায় অভিযান চালায়।প্রশাসনের উপস্থিতি টেরপেয়ে কারখানা থেকে মালিক ও কর্মচারীরা পালিয়ে যায়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদ উদ্দীন ওই ভেজাল কারখানায় অভিযান চালান।
অভিযানে কারখানার ভেতরে ভেজাল জুস ও লাচ্ছি রাখার ড্রাম, রঙের কৌটা, বিভিন্ন কোম্পানির লেবেল, জুস বাজারজাত করা খালি বোতল, অর্ডার মেমো, কেমিক্যাল ও জুস তৈরির মেশিন পাওয়া যায়।
পরে কারখানাটি সিলগালা করা হয়।সোমবার (২৫ জুলাই) সকালে ভেজাল পণ্য তৈরিতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভেজালবিরোধী আইনে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন- পাকুড়িয়া শরিফ আবাসন এলাকার মোস্তাফিজার রহমানের ছেলে রুস্তম আলী (৩০) ও পাকুড়িয়া শরিফ গ্রামের মৃত ফইমুদ্দিনের ছেলে কেচু মিয়া (৪৫)।
জানাগেছে, কেচু মিয়ার বাড়ি ভাড়া নিয়ে রুস্তম আলী এ বাড়িতে মেশিন বসিয়ে মামা ফরুটো নামে জুস, লাচ্ছিসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য তৈরি করে বাজারজাত করতো।খাদ্যদ্রব্য তৈরিতে তিনি কোনো অনুমোদন নেননি।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এরশাদ উদ্দীন বলেন, এ প্রতিষ্ঠানে ভেজাল জুস, লাচ্ছিসহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য তৈরি করা হতো। অভিযানের আগেই ভেজাল কারখানার সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যায়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের ও কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।
এম২৪নিউজ/আখতার