
রংপুর অফিস:
রংপুরে স্বপ্নে পাওয়া নকল সোনার মূর্তি সহ প্রতারণা চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মেট্টোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ।গতকাল সোমবার (২৪ মে) দুপুরে কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান।গ্রেফতার কৃত প্রতারকরা হলো,নগরীর কামালকাছনা এলাকার আবু সাঈদের পুত্র রুবেল এবং কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানার চর বেরুবারি এলাকার রহমত আলীত পুত্র মিরাজুল।
মেট্টোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, সম্প্রতি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার দেউতি এলাকার আলু ব্যবসায়ী মাসুদ রানার সাথে নগরীর কামাল কাছনা এলাকার গ্রিলের দোকানদার রুবেল (৩০) এর পরিচয় হয়। রুবেলের সূত্রে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার রাজমিস্ত্রী মিরাজুল ইসলামের সাথে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মিরাজুল জানায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় মনসুর ফকির নামে একজনের খালা স্বপ্নের মাধ্যমে একটি স্বর্ণের মূর্তি পেয়েছেন। মূর্তিটি অনেক দামি ও বিরল এবং এর বিশেষ ইউরেনিয়ামের শক্তি রয়েছে। অনেক টাকার মালিক ভালো গ্রাহক পেলে মূর্তিটি বিক্রয় করবেন। তখন রুবেল তার বন্ধু আবুল হোসেন ওরফে খুশু ও সুজন মিয়ার সাথে আলোচনা করে মাসুদকে জানায়।পরে মিরাজুলের মাধ্যমে মাসুদকে একটি কথিত স্বর্ণের মূর্তি দেখানো হয়। স্বর্ণের মূর্তির বিষয়ে বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রতারক চক্র বাদী মাসুদকে কথিত স্বর্ণের মূর্তি থেকে ছোট্ট এক টুকরো কৌশলে ভেঙে দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে বলেন। এক পর্যায়ে মূর্তিটির দাম চার লাখ টাকা চাইলে মাসুদ রানা ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরক্ষণেই চক্রটি মূর্তি না দিয়েই টাকা নিয়ে লম্পট হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ফারুক আহমেদ, পুলিশ পরিদর্শক ছালেহ্ আহাম্মদ পাঠান, এসআই বাবুল ইসলামসহ অন্যরা।
পরে ভুক্তভোগী মাসুদ রানা রংপুর মেট্টোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলে কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানাধীন বেরুবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক মোঃ মিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। এছাড়াও এ ঘটনায় অজ্ঞাত অনেকেই জড়িত আছে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এব্যাপারে নগরীর মেট্টোপলিটন মাহিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এম২৪নিউজ/আখতার