
নিউজ ডেস্ক:
আগামী ২৮ তারিখের ইউপি নির্বাচন ঘিরে ঠাকুরগাঁও জেলায় চলছে তুমুল উত্তেজনা। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা মাঠে নেমেছে নির্বাচনী প্রচারণায়। ভোটারদের মনোযোগ ও নির্বাচনি আশ্বাস দিয়ে মন জয় করার চেষ্টাই করছে প্রার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী এলাকাগুলো ছেয়ে গেছে বিভিন্ন পোস্টারে।
তবে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। তার নির্বাচনী এলাকায় নেই কোনো পোস্টার। নেই কোনো প্রচার মাইকিং। ভোট চাইতে ভোটারের দ্বারে দ্বারেও যাচ্ছেন না সেই প্রার্থী। জানা গেছে প্রতীক পছন্দ না হওয়ায় নির্বাচনি প্রচারণায় নামেনি তিনি।
আসন্ন তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও জেলার ১৮ টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যার মধ্যে বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন উদ্দিন পেয়েছেন রজনীগন্ধা প্রতীক। কিন্তু এই প্রতীক তার পছন্দ নয়, তাই করছেন না নির্বাচন।
এই স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন উদ্দিন বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে ছাতা মার্কা চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা সেই প্রতীক আমাকে দেয়নি, দিয়েছে রজনীগন্ধা প্রতীক। এই প্রতীকটি আমার একদম পছন্দ হয়নি। প্রতীকের কথা শুনেই মন ভেঙ্গে গেছে। প্রতীক পছন্দ না হওয়ায় আমি নির্বাচন করছি না। ছাতা মার্কা দিলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করে জয়যুক্ত হতাম।
এই বিষয়ে চাড়োল ইউনিয়নে দায়িত্বরত রিটার্নিং অফিসার শুব্রত চন্দ্র রায় জানান, চেয়ারম্যান প্রার্থী মঈন উদ্দিন আমাদের কাছে ছাতা মার্কার জন্যে আবেদন করেছিলো। তবে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জন্যে এই প্রতীক দেওয়ায় কোনো সুযোগ না থাকায় দিতে পারিনি। তাই তাকে রজনীগন্ধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর জন্যে সে মন খারাপ করে নির্বাচন করছে না বিষয়টা অদ্ভুত। সূত্র: ইত্তেফাক অনলাইন
এম২৪নিউজ/আখতার