বিরোধিতার মুখে এনপিআর বাস্তবায়ন করছে মোদি সরকার

নিউজ ডেস্ক:

নাগরিকত্ব আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বিতর্কে উত্তাল গোটা ভারত। এর মধ্যেই ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টারে (এনপিআর) অনুমোদন দিলো কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। একাধিক রাজ্যের আপত্তি সত্ত্বেও এনপিআর ও আদমশুমারি বাস্তবায়নে মঙ্গলবার অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিলো মোদি সরকার।

এনপিআর এর মাধ্যমে বিভিন্ন নথি দেখে নির্দিষ্ট এলাকার জনসংখ্যার চরিত্র বিশ্লেষণ করা হয়। এতে একজন ব্যক্তি কোন ধর্মের, কতদিন ধরে নির্দিষ্ট এলাকায় আছেন। তিনি ঐ এলাকার বৈধ নাগরিক, নাকি আইনি বিধি মেনে কিছুদিনের জন্য আছেন তা জানতে চাওয়া হয়। তাছাড়া কোন এলাকায় কতজন মানুষ বাস করেন, শেষ ছয় মাসে কোনো এলাকায় নতুন কত জন বাসিন্দা এসেছেন তার হিসাব নেওয়া হয়।

সর্বশেষ ২০১১ সালে হয়েছিল এনপিআর। ২০২১ সালের মধ্যে আবার এনপিআর প্রকাশের সময়সীমা বেঁধে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের এনপিআর বিষয়ে আপত্তি রয়েছে। তবে সরকার মঙ্গলবার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এনপিআর এর কাজ বন্ধ করে দেওয়ার এখতিয়ার রাজ্য সরকারের নেই। এ তালিকা হালনাগাদ করা বাধ্যতামূলক।

বর্তমানে নাগরিকত্ব আইন ও নাগরিকপঞ্জির প্রতিবাদে উত্তাল রয়েছে ভারত। এই অবস্থায় এনপিআর নিয়ে মোদি সরকারের তোড়জোড় নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বিতর্কিত জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে (এনআরসি) এনপিআর এর তথ্য ব্যবহার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদেকর বলেছেন, নাগরিকপঞ্জির সঙ্গে এনপিআর এর কোনো সম্পর্ক নেই।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ও রয়টার্স

সূত্র: ইত্তেফাক