
অনলাইন ডেস্ক:
দশ দিন আগে ১৫০ রুপি চুরির অভিযোগে এক চোর আটক হয়। তার করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষার পর রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এতে নড়েচড়ে বসে পুলিশ সদস্যরা। আর করোনা আক্রান্তকে পুঁজি করে অনবরতভাবে পুলিশকে হয়রানি করে চোর। দশ দিনে তিনবার পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গিয়েছে সে। তাকে আটক করতে গিয়ে এখনো ৩০ জন পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।
ভারতীয় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ থেকে দশদিন আগে ১৫০ রুপি চুরির অভিযোগে চোরকে আটক করা হয়। পরে পরীক্ষা করানো হলে চোরের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।
দশ দিনে করোনা আক্রান্ত চোরটি তিনবার পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়েছেন। তাকে আটক করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে আটক করতে গেলে পুলিশকে স্পর্শ করে ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায়।
ভারতীয় পুলিশ জানায়, করোনা শনাক্তের পর চোরটিকে হাজারিবাগের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে হাসপাতালের ভেন্টিলেটর কেটে পালানোর এক ঘণ্টা পর তাকে আবারা পুলিশ আটক করে। এতেই ৩০ জন পুলিশ করোনায় আক্রান্ত হন।
আটকের পর তাকে ওই হাসপাতালে আবারো ভর্তি করা হয়। এবার শৌচাগারের জানালা থেকে লাফ দিয়ে পালায় সে। পালানোর ৩০ ঘণ্টা পর আবারো পুলিশ তাকে আটক করে।
তৃতীয়বার তাকে ঝাড়খণ্ডের রাঁচির রাজেন্দ্র ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে হাজারিবাগ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত ওই হাসপাতালের যাওয়ার পথেই অ্যাম্বুলেন্স থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায় চোর।
সেখানে স্থানীয়রা চোরকে পরিচয় জিজ্ঞাসা করেন। তখন থুতু ছিটিয়ে ও স্পর্শ করে করোনার ভয় দেখান চোরটি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ এসে তাকে আবারো আটক করে।
হাজারিবাগের পুলিশ কর্মকর্তা কার্তিক এস জানায়, চোর আমাদের জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে গত দশদিনে তিন বার পালিয়েছে।
সুত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।