
স্টাফ রিপোর্টার:
মিঠাপুকুর উপজেলার একমাত্র শঠিবাড়ী খাদ্য গুদামে স্থান সংকুলানের কারণে সরকারী ধান-চাল সংগ্রহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ধীরগতিতে চলছে সংগ্রহ কার্যক্রম। এরফলে সরকারী ভাবে ধান-চাল সংগ্রহে অগ্রগতি মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। রবিবার সকালে গিয়ে দেখা যায় পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় খাদ্য গুদামের সামনে বেশ কয়েকটি চালের ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে।
শঠিবাড়ী সরকারী খাদ্য গুদাম সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুর উপজেলা সরকারী ভাবে ধান-চাল সংগ্রহের জন্য সরকারী খাদ্য গুদাম রয়েছে একটি। সেখানে ৪ টি গুদাম ঘরে মোট ধারন ক্ষমতা প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টন। সর্বোচ্চ ধারন ক্ষমতা ২ হাজার ৬ মেট্রিক টন। চলতি বোরো মৌসুমে এই খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ৭ হাজার ৬০ দশমিক ৯৮০ মেট্রিক টন। এরমধ্যে চাল সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৮শ ১৫ মেট্রিক টন। ধান ক্রয়ের লক্ষমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ২ হাজার ৮শ ৯৫ মেট্রিক টন। সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ১শ ৩৫ মেট্রিক টন ধান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মিঠাপুকুর উপজেলা। প্রতিবছর অন্যান্য উপজেলার চেয়ে মিঠাপুকুরে অনেক বেশি ধান-চাল ক্রয়ের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে ক্রয় লক্ষমাত্রা অর্জন করা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। একারণে শঠিবাড়ী খাদ্য গুদামে নতুন করে গুদামঘর নির্মানের দাবি জানিয়েছেন তালিকাভ‚ক্ত চাউলকল মিল মালিক ও কৃষকেরা।
নূরুল অটো রাইস মিলের মালিক ও চাউলকল মিল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক রবিউল ইসলাম প্রামানিক বলেন, পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে সঠিক সময়ে চাল সংগ্রহ অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গুদাম ফাঁকা না থাকায় দিনের পর দিন চালভর্তি ট্রাকগুলো মাঠে রাখতে হচ্ছে। এরফলে বেড়ে যাচ্ছে খরচের হিসাব। জরুরিভিত্তিতে খাদ্য গুদাম নির্মাণ সময়ের দাবি মাত্র।
শঠিবাড়ী খাদ্য গুদাম ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বলেন, এই গুদামে ধান-চাল সংগ্রহে মুল বাধা পর্যাপ্ত জায়গার অভাব। একারণে সঠিক সময়ে ধান ও চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও নানা কৌশলে সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রাখা হয়েছে। কষ্ট করে হলেও আশাকরি সংগ্রহ লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে।
এম২৪নিউজ/আখতার