
স্টাফ রিপোর্টার:
মিঠাপুকুরে দিন-দুপুরে ড্রাইভারকে ছুরিকাঘাত করে প্রাইভেটকার ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। পথচারীরা বুঝতে পেরে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া দিলে দুই ছিনতাইকারী পালিয়ে যায়। এসময় আরাফাত (২০) নামে এক ছিনতাইকারীকে আটক করে স্থানীয় জনতা।
আটক আরাফাত উপজেলার বড়বালা ইউনিয়নের ছড়ান বাজারের রুহুল আমিনের ছেলে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুর দুইটার দিকে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের মিঠাপুকুরের বলদীপুকুর আনোয়ার ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এই ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা ঘটে।
ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহত ড্রাইভার রিপনকে উব্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। এসময় ছিনতাইয়ের সরঞ্জাম চাকু, পুলিশের স্টীকার সংবলিত ব্যাগ, দড়ি ও কসটেপ জব্দ করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেটকারের ড্রাইভার রিপনের চিৎকারে তারা এগিয়ে এসে দেখেন ছিনতাইকারী এবং ড্রাইভারের মধ্যে হাতাহাতি চলছে। একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা ছুরি দিয়ে ড্রাইভারকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় পথচারীসহ স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে অবস্থা বেগতিক দেখে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে তাদের ধাওয়া দিয়ে অভিরাম নুরপুর ছ-মিল সংলগ্ন আরাফাত নামে একজনকে আটক করা হয়। অপর দুইজন পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে গণধোলাইয়ের হাত থেকে ছিনতাইকারী আরাফাতকে উব্ধার করে এবং ছিনতাইয়ের সরঞ্জাম চাকু, পুলিশের স্টীকার সংবলিত ব্যাগ, দড়ি, কসটেপ জব্দ করে।
ড্রাইভার রিপন জানান, ফুলবাড়ি থেকে তিন যুবক রংপুর মর্ডাণ মোড় যাওয়ার কথা বলে তার প্রাইভেটকারটি দুই হাজার টাকায় ভাড়া করেন। কিন্তু বলদিপুকুর সংলগ্ন হাইওয়ে রাস্তায় প্রসাব করার কথা বলে তার গলা এবং পিছনে ছুরি ধরে ছিনতাইকারীরা। বাধা দিতে গেলে হাতে এবং শরীরে ছুরিকাঘাত করে। ধস্তাধস্তিতে তার হাত কেটে এবং গলায় সামান্য কাটা জখম হয়। পরে পথচারীরা তাকে উব্ধার করে। একটু দেরী হলে তাকে হত্যা করে প্রাইভেটকারটি নিয়ে যেতো ছিনতাইকারীরা।
মিঠাপুকুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘আটক ছিনতাইকারীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানতে পারবো এ ঘটনায় আর কারা জড়িত, পুলিশের স্টীকার কিভাবে আসলো এবং মূল পরিকল্পনা কি ছিল।’
এম২৪নিউজ/আখতার