স্টাফ রিপোর্টার (মিঠাপুকুর):
মিঠাপুকুরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। ১৫ দফা দাবিতে আজ রোববার সকাল ৬টা থেকে এই ধর্মঘট শুরু হয়। সকাল থেকে মিঠাপুকুর উপজেলার পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। কিছু পাম্প খোলা থাকলেও জ্বালানি তেল বিক্রয় সেবা বন্ধ রয়েছে।
ধর্মঘটের কারণে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল বিপণন বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেল চালকসহ বিভিন্ন পরিবহনের শ্রমিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে ধর্মঘটের বিষয়টি বেশিরভাগ মানুষের অজানা থাকায় পাম্পে তেল নিতে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক গ্রাহক কর্মবিরতির নামে ডাকা এই ধর্মঘটে সাধারন মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
আরো পুড়ন: রংপুর বিভাগে পেট্রোল পাম্পের ধর্মঘট, দূর্ভোগ চরমে
মেসার্স শাহ ফিলিং ষ্টেশনের মালিক মো: শাহাজাদা মিয়া বলেন, চাহিদার তুলনায় অর্ধেরও কম জ্বালানি তেল করা হয়। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে। পাম্পে পেট্রোল নিতে আসা মোটসাইকেল চালক মনজুরুল মিয়া বলেন, আমি ধর্মঘটের কথা জানতাম না। তেল নিতে এসে জানলাম। জরুরী কাজে রংপুর শহরে যাব, তেল না পেয়ে হতাশায় পড়ে গেলাম।
জানাগেছে, রংপুর, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের সব ডিপোতে চলছে এই ধর্মঘট। এতে জ¦ালনি তেল উত্তোলন, পরিবহন ও বিপণন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য এ ধর্মঘটের আহবান করেছে।
আরো পড়ুন: সকাল থেকে তিন বিভাগের পেট্রোল পাম্পে ধর্মঘট
রংপুর জ্বালনি তেল সংরক্ষনাগার মেঘনা, পদ্মা ও যমুনা পেট্রোলিয়াম কোম্পনি সূত্রে জানা গেছে, তাদের আওতায় রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে মোট ফিলিং স্টেশন রয়েছে ১৫২টি। এর মধ্যে রংপুরে রয়েছে ৮৫টি। এসব ফিলিং স্টেশনে মজুদের ক্ষমতা রয়েছে ডিজেল ২৭ লাখ, কেরোসিন ১০ লাখ ৬০ হাজার, পেট্রোল ৬ লাখ ও অকটেন ৬ লাখ ৮০ হাজার লিটার। চাহিদা রয়েছে ডিজেল ১ কোটি ২৫ লাখ, পেট্রোল ২৫ লাখ ৫০ হাজার ও অকটেন ৪ লাখ ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু চাহিদার তুলনায় রংপুরে অর্ধেকেরও কম জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।
