মিঠাপুকুরের খোড়াগাছ ইউনিয়ন: দৃষ্টি নন্দন উন্নয়নের কারিগর আসাদুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার:

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার এরশাদমোড় এলাকায় রূপসী পাঁচ রাস্তার মোড়। বেশ কিছুদিন আগেও জায়গাটি ছিল বিশৃঙ্খল ও দখলদারদের দখলে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে সেখানে গড়ে তোলা হয় আল্লাহ্’র ৯৯টি নাম সংবলিত দৃষ্টি নন্দন আল্লাহ্ চত্ত্বর। রয়েছে লাইটিং ও সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা। ইসলামিক ধাচের ওই স্থাপনাটি দেখার জন্য দুর-দুরান্ত হতে লোকজন আসছে। বেশ প্রশংসা করছেন তারা।

হাড়িভাঙ্গা আমের জন্য বিখ্যাত পদাগঞ্জ বাজার। সেখানে তিন রাস্তার মোড়ে নির্মিত হয়েছে আম চত্ত্বর। এছাড়াও, অখিরাহাট ডিগ্রী কলেজে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর, ছিট জারুল্লাহপুরে কাঁঠাল চত্ত্বর, রূপসীতে লাল দুয়ার সিংহদার, শ্যামপুর রোড়ে বকুলতলায় স্বাগত গেট ও জারুল্লাহপুরে বুড়াজুম্মা মসজিদ নির্মাণ করে বেশ আলোচিত মিঠাপুকুরের খোড়াগাছ ইউনিয়ন। ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে দৃষ্টি নন্দন স্থাপনাগুলো নির্মাণ করেছেন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ।

সরেজমিনে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, খোড়াগাছ ইউনিয়ন মিঠাপুকুরের শেষপ্রান্তে অবস্থিত। দির্ঘদিন ধরে এই ইউনিয়নটি ছিল উন্নয়ন বঞ্চিত। এছাড়াও, পূর্বে ছিল উন্নয়নের নামে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির আখড়া। কিন্তু, কয়েক বছরেই এই চিত্র পাল্টে দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ। তিনি নির্মাণ করেছেন বঙ্গবন্ধুর মূর‌্যাল, দৃষ্টি নন্দন স্থাপনা ও পাকাকরণ কয়েছেন বেশ কয়েকটি রাস্তা।

রূপসী গ্রামের প্রবীন ব্যক্তি আব্দুল গফুর বলেন, ‘হামরা ম্যালা চেয়ারম্যান দেখছি বাহে। কেউ হামার কথা ভাবে নাই। চেয়ারম্যান আসাদ হামার এলাকায় ম্যালা কিছু করছে। এখন অন্য এলাকার মানুষ গুল্যা দেখপ্যার আইসোচে।’

পদাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আনারুল ইসলাম বলেন, ‘হাড়িভাঙ্গা আম আমাদের এলাকা হতে গোটা রংপুরে বিস্তার লাভ করেছে। এই আমকে বিশ্ব দরবারে পারিচিত ও সুনাম ধরে রাখার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদাগঞ্জে আম চত্ত¡র নির্মাণ করেছেন।’

আখিরারহাট এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আসাদুজ্জামান উন্নয়ন বান্ধব চেয়ারম্যান। তিনি গোটা ইউনিয়নটাকে মডেল ইউনিয়নে পরিনত করার চেষ্টা করেছেন। সেগুলো এলাকার মানুষের বেশ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।’

খোড়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি ইউনিয়নটিকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে তুলতে। আমের জন্য বিখ্যাত পদাগঞ্জে নির্মাণ করেছি আম চত্ত¡র, অখিরাহাট ডিগ্রী কলেজে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর, ছিট জারুল্লাহপুরে কাঁঠাল চত্ত্বর রূপসীতে লাল দুয়ার সিংহদার, শ্যামপুর রোড়ে বকুলতলায় স্বাগত গেট ও জারুল্লাহপুরে বুড়াজুম্মা মসজিদ নির্মাণ করেছি। এছাড়াও, পাকা করণ হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের টিআর, কাবিখা ও সাধারন বরাদ্দ দিয়ে এই স্থাপনাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। আগামীতে সুযোগ পেলে এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ।’

 এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply