মিঠাপুকুরে প্রকল্পের ঘর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ধ্বস

স্টাফ রিপোর্টার:

মিঠাপুকুরে নিম্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বাস্তবায়িত জমি ও ঘর নির্মাণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ধ্বসে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) নির্মাণ কাজ চলাকালীন সময়ে নির্মিত ঘরটি ধ্বসে পড়ে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার শাল্টি গোপালপুর ইউনিয়নের ধাপ উদয়পুর গ্রামের উপকারভোগী মজিবর রহমানের স্ত্রী জমিলা খাতুনের নামে একখন্ড জমি ও ঘর বরাদ্দ হয়। বরাদ্দকৃত ঘরটি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। এরই একপর্যায়ে নিম্মমানের ইট ও নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে ঘর নির্মাণ করায় বৃহস্পতিবার নির্মাণ কাজ চলাকালীন সময়ে নির্মিত ঘরটি ধ্বসে পড়ে।

এ বিষয়ে উপকারভোগী জমিলা খাতুন জানান, ঘরটি যখন ধ্বসে পড়ে আমি তখন বাড়িতে ছিলাম না। এ রকম মৃত সামাদ আলীর স্ত্রী হাসনা বেগম সহ আরো ৪ জনের ৪টি ঘর পাশাপাশি একই নির্মাণ সামগ্রী নির্মাণ করে নির্মাণ করা হচ্ছে।

ধাপ উদয়পুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের স্ত্রী কল্পনা রানী জানান, সামান্য সিমেন্ট দিয়ে নিম্ম মানের ইট ব্যবহার করে ঘরটি নির্মাণ করায় ঘরটি ধ্বসে পড়েছে। মৃত খাজের উদ্দিনের পুত্র তোফাজ্জল হোসেন জানান মিস্ত্রীরা যেমন তেমন করে কোন রকমে ঘর নির্মাণ করছে। ফলে ঘরটি ধ্বসে পড়েছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, দায়সারা ভাবে এসব প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এ দিকে উপজেলা প্রশাসন খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে ধ্বসে পড়া ঘরটি পুননির্মাণ করেন বলে এলাকাবাসী জানান।

এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোশফিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আছি তাই ফোনটি কেটে দিলাম।

শাল্টি গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম দিলীপ বলেন, ১০ ইঞ্চি পিছার প্লাস্টার নড়াচড়া করায় ভেঙ্গে পড়েছে। আমি সব ঠিক ঠাক করে দিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন ভুইয়া বলেন, উপকারভোগী জমিলা বেগম নির্মানাধীন ঘরে পানি ব্যবহার না করায় ঘরটি ধ্বসে পড়েছে। আমার জানামতে ইট, সিমেন্ট ও রড কোন নিম্মমানের ব্যবহার করা হচ্ছে না। এ রকম মৃত. সামাদ আলীর স্ত্রী হাসনা বেগম সহ আরো ৪ জনের ৪টি ঘর পাশাপাশি একই নির্মাণ সামগ্রী নির্মাণ করে নির্মাণ করা হচ্ছে।

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply