
স্টাফ রিপোর্টার:
মিঠাপুকুরে শাল্টিগোপালপুর বন বিভাগের (ইকোপার্ক) জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ করেও থেমে নেই জমি দখলের মহাযজ্ঞ। বন কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় দখল কার্যক্রম চললেও অজ্ঞাত কারণে নিশ্চুপ রয়েছেন তারা। এছাড়াও, ক্ষমতাশীন দলের কয়েকজন স্থানীয় নেতার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাল্টি গোপালপুর বন বিভাগের জায়গায় গড়ে উঠছে ইকোপার্ক। ইতোমধ্যে সীমানা প্রচীর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। ইকোপার্কের দক্ষিণে রাঙ্গাপুকুর গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী বনবিভাগের জায়গা দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। বন কর্মকর্তা ও গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ’র সাধারন সম্পাদক ছামছুল আলমসহ স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার সহযোগীতায় আবুল কাশেম নামে একজন প্রভাবশালী ও তার সহযোগীরা ওই জমিগুলো দখল করেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ওই গ্রামের ওমর আলী বলেন, বন বিভাগ ও আমার জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। আমি এর প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যান দিলিপ পাইকার আমাকে জামায়াতের নাশকতার মামলায় ফাঁসানো হুমকি দিয়েছে। এরকারণে, আমি চুপ থাকতে বাধ্য হয়েছি। আরেক স্থানীয় হারুন মিয়া বলেন, বনের জমি ছাড়াও আরেকটি রাস্তা রয়েছে। তারপরও প্রভাবশালীরা বনের জমি দখল করে রাস্তা বানিয়েছেন। আবুল কালাম নামে আরেকজন স্থানীয় বলেন, বন বিভাগের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল কাশেম ও তার লোকজন আমাকে মারপিট করেছেন।
শাল্টি গোপালপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনজুরুল করীম বলেন, স্থানীয় কয়েকজন বনবিভাগের জায়গায় রাস্তা নির্মাণ করতে চেয়েছিল, আমরা নিষেধ করেছি। পরে শুনেছি চেয়ারম্যান দিলিপ পাইকার প্রচীর ঢালাই করে রাস্তা দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম দিলিপ পাইকার বলেন, বনের পাশে গরীব মানুষের বাড়ি রয়েছে। তাদের বাড়ি থেকে বের হতে রাস্তা দেওয়া হয়েছে।
এম২৪নিউজ/আখতার