
স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি ব্রিজের সংযোগ রাস্তা ভেঙ্গে ৬ গ্রামের চার হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। প্রায় ৬ মাস ধরে বন্ধ থাকার ফলে অবর্ণনীয় দুর্দশা দেখা দিয়েছে স্থানীয় মানুষের মাঝে।
উপজেলার বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নের হাছিয়া নামাপাড়া এলাকায় কাঠগড়ি নদীর উপর এই ব্রিজের মুখ ঠিক করার জন্য দির্ঘদিন ধরে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের পিছু পিছু ঘুরেও কাজ হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হাছিয়া নামাপাড়া গ্রামে কাঠগড়ি নদীর ব্রিজের দু’মুখ ভেঙ্গে গেছে। রাস্তা হতে ব্রিজের উঠতে নেই কোন ব্যবস্থা। অথচ হাছিয়া, হেলেঞ্চা, উচা বালুয়া, সন্তোষপুর, আকন্দপাড়া ও নামাপাড়া গ্রামের লোকজন চলাচল করতো এই রাস্তা দিয়ে। কিন্তু, গত বছরের বন্যায় নদীর ব্রিজের মুখ ভেঙ্গে যায়। এরফলে, চলাচল ব্যাহত হয় স্থানীয় প্রায় চার হাজার মানুষের।
স্থানীয় মানুষদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ৫ বছর আগে কাঠগড়ি নদীর ব্রিজের উপর নির্মিত হয় একটি ব্রিজ। হঠাৎ বন্যায় ভেঙ্গে যায় ব্রিজের দু’মুখ ও সংযোগ সড়কটি। এলাকাবাসি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হকের সাথে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার হয়নি। এরফলে, ৬ গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
স্থানীয় শহিদুল ইসলাম বলেন, ৬ গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি। বন্যার কারণে ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে রাস্তাটি দিয়ে চলাচল দুরুহ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরেক স্থানীয় মিলন মিয়া বলেন, রাস্তাটির কাঠগড়ি নদীর উপর একটি ব্রিজ স্থাপনা করে সরকার। কিন্তু, ব্রিজের মুখ ভেঙ্গে মানুষগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েন। আমরা স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে কয়েক দফা রাস্তাটি ঠিক করেছিলাম। পরে বন্যায় আবারও রাস্তাটি ভেঙ্গে যায়।
স্থানীয় আবু হানিফ মাস্টার বলেন, সরকার নদীর উপর ব্রিজটি দিলেও সংযোগ সড়কটি ভেঙ্গে মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের পিছু পিছু ঘুরেও কাজ হচ্ছে না।
বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান ময়নুল হক বলেন, কাঠগড়া নদীর ব্রিজের মুখ ভেঙ্গে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। কাবিখা প্রকল্পের অর্থ দিয়ে রাস্তাটি ঠিক করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন ভূইয়া বলেন, জন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি ঠিক করার জন্য অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এম২৪নিউজ/আখতার