মিঠাপুকুরের বৈরাতিহাট: সরকারি সেড ভাঙলেন চেয়ারম্যান ও ইজারাদার

স্টাফ রিপোর্টার:

মিঠাপুকুরের বৈরাতিহাটে সরকারী ৪ টি সেড ভেঙ্গে ফেলেছেন চেয়ারম্যান ও হাট ইজারাদার। এরফলে সেডে ব্যবসা পরিচালনাকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেড ভেঙ্গে ফেলার পর স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন মিঠাপুকুর ইউএনও। বুধবার উপজেলার বৈরাতিহাটে এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৈরাতিহাটের পশুহাটি সংলগ্ন ৪টি সেড দির্ঘদিন আগে নির্মিত হয়েছে। সেডগুলোতে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা ব্যবসা পরিচালনা করতো। সেখানে বিভিন্ন কুঠির শিল্পের মালামাল ক্রয়-বিক্রয় হতো নিয়মিত। বুধবার সকালে মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শ্রমিক লাগিয়ে সেডগুলো ভেঙ্গে ফেলেন। এসময় বৈরাতিহাট ইজারাদারের লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। সেডগুলো ভেঙ্গে ফেলায় ফুঁসে ওঠে স্থানীয় ব্যবসায়ি ও বণিক সমিতির লোকজন। তারা সেডগুলো ভেঙ্গে ফেলার তিব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। সেড ভেঙ্গে ফেলার বিষয়ে মুঠোফোনে অভিযোগ করেন রংপুর জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসারের কাছে। তাৎখনিক উপজেলা নির্বাহি অফিসারের নির্দেশে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈরাতিহাটের কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি জানান, সেডগুলোতে বাঁশের তৈরী নানা দ্রব্যাদি ক্রয়-বিক্রয় করা হতো। সেডগুলো ভেঙ্গে ফেরার কারণে আমরা ব্যবসা করতে পারবো না।

মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, ইউএনও স্যার বৈরাতিহাট পরিদর্শন করে মৌখিকভাবে সেডগুলো ভেঙ্গে ফেলতে বলেছেন। একারণে সেগুলো ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। পরে তারই নির্দেশে কাজ বন্ধ করে ভেঙ্গে ফেলা সেডগুলোর ইট আমার জিম্মায় রেখেছি।

বৈরাতিহাট ইজারাদার রেমাউল হক বলেন, পশুহাটির জায়গা সঙ্কুলান না হওয়ার কারণে আমরা সেডগুলো ভেঙ্গে ফেলার আবেদন করি। পরে ইউএনও স্যার মৌখিক ভাবে অনুমতি প্রদান করেন। একারণে সেডগুলো ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার রকিবুল হাসান বলেন, সেডগুলো ভেঙ্গে ফেলা নিয়ে স্থানীয়ভাবে গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি হয়েছে। একারণে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply