
নিউজ ডেস্ক:
স্কুলছাত্রের পরকীয়ার টানে স্বামী উত্তম দেবনাথকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ১৪ বছরের স্ত্রী। এর অংশ হিসেবে স্ত্রীকে বেঁধে রাখার নাটক করা হয়। তবে ১৫ বছরের পরকীয়া প্রেমিক ও স্ত্রী মিলে হত্যাকাণ্ডটি করেছেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল্লাহিল জামান জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তমের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এতে হত্যাকাণ্ডের রহস্য বের হয়। এরপর তার দেয়া তথ্যানুযায়ী বুধবার রাতে পরকীয়া প্রেমিক স্কুলছাত্রকে আটক করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে স্কুলছাত্র আটকের বিষয়টি কাউকে জানায়নি পুলিশ।
পরে স্কুলছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার বিষয়টি খোলাসা হয়। এরপর তার দেয়া তথ্যানুযায়ী সুন্দরগঞ্জের উত্তমের বাড়ির পেছনের পুকুরে চারটি শ্যালো মেশিন স্থাপন করা হয়। পুকুরের পানি ফেলার পর সেখান থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে একটি কুড়াল, দুটি ছোট চাকু ও একটি বেকি।
২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নিজ ঘরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে রাজমিস্ত্রি স্বামী উত্তম কুমার দেবনাথকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত উত্তম সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরের তাঁতিপাড়ার নিবারণ চন্দ্রের ছেলে। এরপর থেকেই হত্যার রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে পুলিশ।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।