
নিউজ ডেস্ক:
এক দিনের ব্যবধানে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় দিনাজপুরে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ শুরু হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঠাণ্ডা বাতাস যোগ হওয়ায় হাত পা ঠাণ্ডায় বরফের মতো জমে যাচ্ছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জ্বল হোসেন জানান, শনিবার ভোর রাতে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। গতকাল দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১. ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।
হিমালয়ের কাছের জেলা হওয়ায় ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদিন তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে আর বাড়ছে ঠাণ্ডা বাতাস আর ঘনকুয়াশা। ঠাণ্ডার মাত্রা ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। কেউ কাজের সন্ধানে ঠাণ্ডা উপেক্ষা ঘর থেকে বের হলে কাজের সন্ধান পাচ্ছে না। ছোট বড় প্রায় সব যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। আবার হিমালয়ের হিমেল ঠাণ্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশায় ছিন্নমূল মানুষগুলো কাতর হয়ে পড়েছেন।
ভোরের দিকে হিমেল হাওয়া যেন ঠাণ্ডার মাত্রা আরো বৃদ্ধি করে। ভোরের দিকে কুয়াশায় চারদিক ডাকা থাকে। নিম্ন আয়ের মানুষের মোটা কাপড়ের আপেক্ষায়। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের কম্বলের প্রয়োজন।
দিনাজপুর রাম নগরের জোসনা বেগম জানান, ঠাণ্ডায় কাতর হলেও কোনো ইউপি চেয়ারম্যান বা সদস্যরা আমাদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন না। এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই পেলাম না।
দিনাজপুর জামাই পাড়ার আব্দুল কাদের বলেন, গত কয়েক দিনের ঠাণ্ডায় ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। কাজ কর্ম পাওয়া যায় না। একদিকে করোনা অন্য দিকে ঠাণ্ডা আমরা তো মরেই যাচ্ছি। আমাদেরকে কেউ সাহায্য করেন।
সচেতন নাগরিক কমিটির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, দিনাজপুরে পৌরসভার নির্বাচন শুরু হওয়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিজের ভোটের জন্য ব্যস্ত কিন্তু কেউ কোনো শীতার্ত ব্যক্তিদের জন্য সহযোগিতায় এগিয়ে আসছে না। তাই সরকারিভাবে এই জেলায় গরিব অসহায় ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত পরিমাণ শীত বস্ত্র বিতরণ করা প্রয়োজন। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার