
অনলাইন ডেস্ক:
রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও রংপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিরীন শারমিন চৌধুরীর নামে হত্যা মামলা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি আমলি আদালতে মামলাটি করেন গুলিতে নিহত হওয়া স্বর্ণ ব্যবসায়ী মুসলিম উদ্দিন মিলনের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার (৩২)।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন, রংপুর রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি আব্দুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মোবাশ্বের হাসান, রংপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজাহান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুসাইন মোহাম্মদ রায়হান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু আশরাফ সিদ্দিকী, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সাবেক সংসদ সদস্য নাছিমা জামান ববি, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক প্রামাণিক, আওয়ামী লীগ নেতা রাশেক রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছায়াদাত হোসেন বকুল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শফিয়ার রহমান সাফি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল। এছাড়া আরো অনেককে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিটি বাজার এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এ সময় ৮ থেকে ১৭ নম্বর আসামিদের প্ররোচনা ও উস্কানিতে ১ থেকে ৭ নম্বর আসামিদের নির্দেশে ২, ৩, ৪, ৬ ও ৭ নম্বর আসামিসহ হেলমেট পরিহিত পুলিশ সদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়েন। এতে মিলন গুলিবিদ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে আসামিদের চাপে মরদেহের ময়নাতদন্ত না করেই তড়িঘড়ি করে দাফন করা হয়।মা
মলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী আন্দোলনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ।
এম২৪নিউজ/আখতার