
রংপুর অফিস:
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় নোহালী ইউনিয়নে সড়কে সাটানো নৌকা প্রতীক এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে আগুন লাগিয়ে দেয়ার ঘটনায় উপজেলা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নোহালী ইউনিয়নে ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ টিটুলের অভিযোগ, গতকাল শনিবার রাতে ইউনিয়নের নোহালী এলাকায় লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর বাড়ির পাশে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলামের বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর সাটানো তার নৌকা প্রতীক এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। তার অভিযোগ লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, বঙ্গবন্ধু ও এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি পুড়িয়ে দিয়ে তিনি সরকার এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ভোটাররা এটা কোনোভাবেই মানবে না। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। রাত থেকেই পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানন।
লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, গভীর রাতে নৌকার প্রার্থীর নির্দেশে সমর্থকরা নিজেরাই নিজেদের প্রতীকের আগুন লাগিয়ে দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করছে। বিষয়টি আমি প্রশাসন, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সবাইকে জানিয়েছি।
এ ঘটনায় আজ রোববার সকাল থেকে ওই এলাকায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীরা স্থানীয় কচুয়া বাজারে অবস্থান নিয়েছেন। আর নৌকা প্রতিকের সমর্থকরা ভিড় করছেন ঘটনাস্থলে। তবে শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার জানান, নৌকার প্রার্থীকে রিটানিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া বিষয়টি কারা ঘটিয়েছে, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি আচরণবিধি মেনে নৌকাটি সেখানে উত্তোলন করা হয়েছিল কিনা সেটি তদন্ত করা হচ্ছে।
রংপুর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন জানান, নোহালীর ঘটনা তারা রাত থেকেই মনিটরিং করছেন। রোববার বেলা ৪টাপর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবুও সেখানে আইনশৃঙখলা বাহিনীর লোকজন কাজ করছে। সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এম২৪নিউজ/আখতার