
নিউজ ডেস্ক:
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগাহতে বিরোধীয় জমির দোকান ঘর ভাঙচুরের ঘটনায় সেখানে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দু’পক্ষকে সংঘাত পরিহার করে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন।
জানা গেছে, বিগত ১৯৪২ সনে উপজেলার বড়দরগাহ শাহ ইসমাইল গাজী (রহঃ) ওয়াফফ ষ্টেটের জমি থেকে তৎকালিন মোতয়াল্লী শাহ মেছের আলী রেজিষ্ট্রি দলিল মুলে বড়দরগাহ শাহ ইসমাইল গাজী (রহঃ) ফাজিল মাদ্রাসার অনুকূলে ৫০ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করে দেন। যার দলীল নং-৭০৮৪ । মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী উল্লেখিত জমি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জমিটিতে দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা মালের হাট বসছে এবং সেখানে কয়েকটি অস্থায়ী দোকান ঘরও নির্মিত হয়েছে।
এদিকে গত কয়েক মাস পুর্বে উক্ত জমি নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং মাজার কর্তৃপক্ষ জমিটি তাদের দাবি করে চলতি সনের ৫ ফেব্রুয়ারি রংপুরের সিনিয়র সহকারী জজ পীরগঞ্জ আদালতে একটা মামলা করে । যার নং-১৪/২০১৯ । মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে ।
অরো পড়ুন: নারীসহ পুলিশ কর্মকর্তা আটক: ৫১ লাখ ১ হাজার ৫৩ টাকা দেনমোহরে বিয়ে
গত ২০ অক্টোবর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা উক্ত জমির ক’টি দোকান ঘর ভেঙ্গে ফেলে । এতে ব্যবসায়ী শাহ আলম, লেবু, লাল মিয়া, সাইদুল ফুলু সহ অনেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ।এ নিয়ে দু’পক্ষের মাঝে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে ।
সার্বিক এ পরিস্থিতির ব্যাপারে পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সরেস চন্দ্র জানান দু’পক্ষকে শান্ত থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ থানায় আহ্বান করা হয়েছে ।
মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ আঃ গফুর মিয়া বলেন, দলীল অনুযায়ী উক্ত ৫০ শতক জমি মাদ্রাসার। প্রতিপক্ষরা অন্যায় ভাবে উক্ত জমি দখলের চেষ্টা করছেন।
মাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর শাফিয়ার রহমান বলেন, জমি দেয়ার দলিল সঠিক নয় । যে কারণে উক্ত জমি মাজারের এবং সেখানে কয়েকটি টিন সেডের ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল।
সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ।