
রংপুর অফিস:
রংপুরে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার সাধারণ মানুষের সরকার। সাধারণ মানুষের এক মাত্র বাহন হলো রেল পথ। বিএনপি-জামায়াত সরকার ক্ষমতায় থাকা কালে রেলখাতে কোনো বিনিয়োগ করেনি। উল্টো রেলকে উঠিয়ে দেয়ার পাঁয়তারা করেছিল। স্টেশনগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল।
আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ২০১১ সালে আলাদা রেলপথ মন্ত্রণালয় করে আবার রেলে গতি আনার কাজ করে যাচ্ছে।গতকাল শুক্রবার রাতে রংপুর রেলওয়ে স্টেশনের উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন শেষে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। আগামী ২০২৪ সালে এটির নির্মাণকাজ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের চাহিদা মাফিক প্রত্যেক জেলায় একাধিক ট্রেন দেয়া হবে। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। যেসব এলাকায় রেল যাতায়াতের একটি লাইন রয়েছে, সেখানে দুটি লাইন করা হচ্ছে। মিটার গেজের পাশাপাশি ব্রড গেজ লাইন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুতে একটি লাইন থাকার কারণে উত্তরাঞ্চলে নতুন করে ট্রেন দেয়া যাচ্ছে না।
রেলপথ মন্ত্রী বলেন,পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চলের ৫৫ টি রেলওয়ে প্লাটফর্ম উঁচুকরণ, উপরের শেড বদলীকরণ, নতুন শেড যুক্ত,১টি প্লাটফর্মের স্থানে ২ টি করা,টয়লেট ব্যবস্থা, ব্রেস্ট ফিডিং গর্ভবতীদের নির্দিষ্ট স্থান করে দেয়া,উন্নত সেনিটেশন ব্যবস্থা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, লাইটিং ব্যবস্থা, ভবঘুরেদের অবাধে চলাচল বন্ধ করা হবে, টিকিট ছাড়া বাড়তি কাউকে স্থানকে দেয়া হবেনা। উন্নত, আধুনিক, সাশ্রয়ী, নিরাপদ একটি রেল গড়ে তুলবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রংপুর রেলস্টেশনে নতুন একটি প্লাটফর্ম নির্মাণ, বিদ্যামান প্লাটফর্মকে বর্ধিতকরণ, বহুতল ভবন নির্মাণ, স্টেশন এলাকা সুরক্ষিত করতে বেস্টনীর ব্যবস্থা করাসহ নানাবিধ উন্নয়ন কাজ দ্রুতই শুরু হবে। রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজীকরণ করা হচ্ছে। রংপুর থেকে ঢাকা সহ দেশের অন্যান্য এলাকায় রেল ভ্রমণের সময় কমিয়ে আনা হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা, রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ডি এন মজুমদার, রংপুর জেলা প্রশাসক আসিব আহসান, পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. ছাফিয়া খানম, রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় মহাব্যবস্থাপক মিহির কান্তি গুহ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল ও রেলওয়ে ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এম২৪নিউজ/আখতার