রংপুরে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ ছয় নারী-পুরুষ

নিউজ ডেস্ক:

শীত নিবারণের চেষ্টায় আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। এরমধ্যে যারা দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের বাড়ি রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার।

বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নারী-পুরুষ ছয়জন। তাদের শরীরের ২০ থেকে ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তীব্র শীত থেকে রক্ষা পেতে এই অঞ্চলের হত-দরিদ্ররা খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

গত দুইদিনে রংপুর মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন ছয়জন। তাদের মধ্যে গুরুতর দগ্ধ আলেমা বেগম নামে এক বৃদ্ধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রংপুর নগরীর পাশারিপাড়ার রোকেয়া বেগম, পীরগাছা উপজেলার ফরিদা বেগম, দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার শামসুন্নাহার কুড়িগ্রামের নূর নাহারসহ আরো দুইজন আগে থেকেই দগ্ধ হয়ে ভর্তি রয়েছেন। শীতের তীব্রতা কমাতে আগুনের পাশে না থেকে গরম কাপড় পরিধান করা, সেই সঙ্গে রেশমি কাপড় পরে আগুনের কাছে না যেতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
 
গত শীতকালে রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড় জেলার প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এরমধ্যে মারা গেছেন ২৪। হঠাৎ আগুনে পোড়া রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হয় হাসপাতালের চিকিৎসকদের। বাধ্য হয়েই রোগীদের জায়গা দিতে হয় বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বারান্দায়। ১৪ বেডের বার্ন ইউনিটে  দগ্ধ রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয় চিকিৎসকদের। দগ্ধ রোগীরা স্পর্শকাতর হলেও বাধ্য হয়েই তাদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বারান্দায়।

তথ্য- ডেইলী বাংলাদেশ।