লো ভোল্টেজ-লোডশেডিং এ অতিষ্ঠ রংপুরবাসী

নিউজ ডেস্ক:

রংপুরে তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিং আর লো-ভোল্টেজের কারণে অতিষ্ঠ হয়েছে নগরবাসী। এক সপ্তাহ ধরে সকাল, দুপুর বিকেল, সন্ধ্যা এবং রাতে লোডশেডিং হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইফতার ও সেহরিতে অন্ধকারে খাওয়া-দাওয়া করতে হয়। তীব্র গরমের মধ্যেই তারাবিহ নামাজ আদায় করতে হয়। এতে বয়োজ্যেষ্ঠরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ করেও এ সমস্যার সমাধান পাচ্ছে না নগরবাসী। কী কারণে এ সমস্যা হচ্ছে? কবে নাগাদ সমাধান হবে? বলতে পারছেন না নেসকোর কর্মকর্তারাও।

নগরীর শালবন এলাকার গৃহবধূ শম্পা হোসেন জানান, তার এলাকায় বিদ্যুৎ যেন সোনার হরিণ। পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার। ইফতার, তারাবিহ ও সেহরির সময় বিদ্যুৎ থাকে না। আসলেও মাত্র ২-৩ ঘণ্টা থাকে। অথচ মাস শেষ না হতেই বিল আসে মোটা অংকের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেসকোর এক কর্মকর্তা জানান, রংপুরে পুরাতন যন্ত্রপাতি দিয়ে কার্যক্রম চলছে। বিতরণ-১ এবং বিতরণ-৩ এর দুটি পাওয়ার ট্রান্সফর্মার বিকল হয়ে পড়ায় নগরীতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। বিতরণ-১ এ নতুন যন্ত্রপাতির জন্য এক বছর আগে অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও আজ পর্যন্ত সেখানে কোনো যন্ত্রপাতি বসানো হয়নি।

তিনি আরো জানান, চীন থেকে নতুন যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে সেগুলো আনতে দেরি হচ্ছে। এক মাসের মধ্যে নতুন যন্ত্রপাতি দেশে আনা হবে।

নেসকোর প্রধান প্রকৌশলী শাহাদত হোসেন বলেন, রংপুর নগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ৫৫ মেগাওয়াট। বিতরণ-১ এবং বিতরণ-৩ এ একটি করে পাওয়ার ট্রান্সফর্মার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় লোডশেডিং হচ্ছে। আমাদের বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নাই। বিতরণ তিনে একটি নতুন পাওয়ার ট্রান্সফর্মার স্থাপনের কাজ চলছে। আশা করছি, বুধবারের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply