
নিউজ ডেস্ক:
পাহাড়ি ঢল এবং বৃষ্টির পানি চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলসহ গত বছরের বন্যার যে বাঁধের ভাঙা অংশ ছিল তা দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়েছে গাইবান্ধার বেশ কয়েকটি গ্রাম।
ফলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহ সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নের তিন হাজার ২০২ পরিবারের প্রায় ১৩ হাজার মানুষ পানিবন্দী।
রবিবার বিকেল তিনটার পর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৬ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৪১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এছাড়া তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড।
এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ৪০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ২ লাখ টাকা বন্যাকবলিত চার উপজেলায় বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তথ্য ও ছবি- ইত্তেফাক।