১০ টাকা কেজির চাল পাচার, দুইজনের ডিলারশিপ বাতিল

নিউজ ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় হাউ‌লি ইউপি ১০ টাকা কেজির সরকারি চাল পাচারের অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন ও ডেলিস না‌মে দুইজনের ডিলারশিপ বা‌তিল ও জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

উপ‌জেলার হাউলি ইউপিতে গরিব ও দুস্থ‌দের জন্য মাত্র ১০ টাকা কেজি দ‌রে দেয়া সরকারি চাল গরিবদের না দি‌য়ে ডিলার গিয়াস ও ডেলিস তা পাচার ক‌রে এক‌টি গোডাউনে লু‌কি‌য়ে রে‌খে‌ছিল।

এলাকাবাসীর প্র‌তি‌রো‌ধের মু‌খে ইউএনও এসএম মুনিম লিংকন পু‌লিশসহ ঘটনাস্থ‌লে উপ‌স্থিত হ‌য়ে ওই দুই ডিলারের কাগজপত্র জব্দ ক‌রে গোডাউন সিলগালা ক‌রে। পরে দুই সদস্যের এক‌টি তদন্ত ক‌মি‌টি গঠন ক‌রে ২৪ ঘণ্টার ম‌ধ্যে তদন্ত প্র‌তি‌বেদন দা‌খি‌লের নির্দেশ দেন।

তদন্ত প্রাত‌বেদন পাওয়ার পর গত মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের জরুরি সভায় ২ সদস্যের তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দামুড়হুদার ইউএনও এসএম মুনিম লিংকন এ রায় প্রদান করেন। সেসঙ্গে জব্দকৃত ৬৫ বস্তা চাল পার্শ্ববর্তী ডিলারের মাধ্যমে বিতরণের নির্দেশ দেয়া হয়।

ইউএনও এসএম মুনিম লিংকন জানান, গত বুধবার রাতের আঁধারে দামুড়হুদার লোকনাথপুর গ্রামের একটি গোডাউন থেকে ১০ টাকা কেজি দরের সরকারি ২৯ বস্তা চাল বাস্তপুর গোডাউনে নেয়ার সময় স্থানীয় জনতার মাঝে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা ইউপি সদস্য মো. রিকাত আলীকে আটক করে এলাকার জনগণ।

পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হলে ঘটনাস্থলে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ হাজির হয়ে চালের ডিলার গিয়াস উদ্দিন ও ডেলিসের বাস্তপুর গোডাউনে থাকা ৬৫ বস্তা চাল জব্দ করে।

গত বৃহস্পতিবার ঘটনার তদন্তের জন্য দামুড়হুদা উপজেলা উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিসার অভিজিত কুমারকে আহ্বায়ক ও উপজেলা পিআইও আশরাফ আলীকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সোমবার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।