ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা রুটে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাবিরুল ইসলাম খান ডেইলি বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাত্র ২৮ মিনিটেই ঢাকা থেকে মাওয়া যাওয়া যাবে। কথাটি স্বপ্নের মতো হলেও আজ থেকে তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে এই এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে। ফলে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে দেশের সড়কপথে।

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের সুবিধার্থে ২০১৬ সালে শুরু হয় এই এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ। স্বপ্নের পদ্মাসেতু পাড়ি দিয়ে দক্ষিণের মানুষ সরাসরি যাতে রাজধানীতে প্রবেশ করতে পারে তার জন্যই এই পরিকল্পনা। মাত্র তিন বছরের মাথায় সেই স্বপ্ন এখন বাস্তব। জুরাইন, পোস্তগোলার জ্যামে কিছুদিন আগেও যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন সেখানে শুধুই এগিয়ে চলা।

দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়েতে থাকছে দৃষ্টিনন্দন চার লেনের সড়ক। যে সড়ক ধরে দ্রুত গতিতে চলতে পারছে যানবাহন। স্থানীয়দের চলাচলের জন্য মূল সড়কের পাশেই করা হয়েছে দুই লেনের সার্ভিস সড়ক। তাই কোথাও নেই থেমে থাকার ভোগান্তি।

দেশের প্রথম এই এক্সপ্রেসওয়ে যুক্ত হবে এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে। এই রুটে ৪টি বড় সেতু, ২৫টি ছোট সেতু এবং ৫টি ফ্লাইওভার আছে। এ পথে রেল ওভারপাস আছে ১৯টি। যাত্রাপথে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হওয়ায় খুশি পরিবহন শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ।

এর আগে, ফরিদপুর থেকে মাদারীপুর পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের ২০ কিলোমিটার নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় তার সুফল পাচ্ছিলো মানুষ। এবার মাওয়া অংশের ৩৫ কিলোমিটার কাজ শেষে আমূল পাল্টে যাচ্ছে পুরো দৃশ্যপট।

এমন উন্নয়নে পুরো দক্ষিণবঙ্গের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে বলেও আসা স্থানীয়দের। নতুন এই সড়কে ঢাকা থেকে মাওয়া পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ২৮ মিনিট। গাড়ির গতিবেগ থাকতে পারবে সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার।

পদ্মাসেতু চালু হলে এ মহাসড়ক দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ পুরো দেশের যে নিবিড় যোগাযোগ তৈরি হবে তার অর্থনৈতিক ও সামগ্রিক সুফল দেশকে এগিয়ে নেবে অনেকাংশেই।

সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।