
অনলাইন ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, স্থানীয় সরকার এবং উপ-নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করেছি আওয়ামী লীগের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। এ বিষয়ে কারো কোনো অভিযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির শাসনামলে উপ-নির্বাচনে ভোট দিতে মানুষ ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেনি। কারণ, তারা নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে ভোট লুট করেছিল। ভোট ডাকাতির মাধ্যমে তারা জন্ম নিয়েছে এবং এটাই তাদের অভ্যাস। কানাডার আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে। অথচ তারাই এখন আওয়ামী লীগের ওপর ভোট চুরির অভিযোগ করছে।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট চুরির দরকার নেই। আমরা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে ভোট পাই। এভাবেই জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষ যখনই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনেও তা প্রমাণিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখনই পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে, ষড়যন্ত্রের কারণে হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জনগণ কখনোই সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপিকে ভোট দেয় না। কারণ, জনগণের সেবা এবং দেশের উন্নতি করার কোনো আগ্রহ তাদের নেই। বরং দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের আখের গোছানোর কাজেই ব্যস্ত ছিল। প্রত্যেকের মনে রাখা উচিত যে, বিএনপি ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বরং অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা ও দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। ক্ষমতা দখলের জন্য এখনো তারা পুরনো খেলা খেলছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ প্রমুখ। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার